ভারতের ঐতিহ্যবাহী ও বিশ্বখ্যাত দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দের সম্মানিত মুহতামিম ও শায়খুল হাদিস হযরত মাওলানা মুফতি আবুল কাসেম নোমানী (দা.বা.) ৭ আগস্ট (শুক্রবার) জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পবিত্র জুমার পূর্ব বয়ান, খুতবা প্রদান ও জুমার নামাজে ইমামতি করবেন।
বুধবার (৫ আগস্ট) ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর জনসংযোগ কর্মকর্তা বিল্লাল বিন কাশেম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে এ বিশেষ ধর্মীয় আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে বলেও বিজ্ঞাপ্তিতে জানানো হয়েছে। দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রখ্যাত আলেম ও ইসলামী চিন্তাবিদ হযরত মাওলানা মুফতি আবুল কাসেম নোমানী (দা.বা.) তাঁর বয়ানে পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ঈমান-আকিদা, তাকওয়া, আমল-আখলাক, আত্মশুদ্ধি, মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে ইসলামের আদর্শ অনুসরণের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরবেন।
জুমার পূর্ব বয়ান শেষে তিনি পবিত্র জুমার খুতবা প্রদান করবেন এবং জুমার নামাজে ইমামতি করবেন। তাঁর ইলমি আলোচনা, খুতবা ও ইমামতির মাধ্যমে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আগত মুসল্লিরা কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ নসিহত ও দিকনির্দেশনা লাভের সুযোগ পাবেন।
দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিমের বিশেষ সফর
হযরত মাওলানা মুফতি আবুল কাসেম নোমানী (দা.বা.) ভারতের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম ও শায়খুল হাদিস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। উপমহাদেশের ইসলামী শিক্ষা, হাদিসচর্চা ও দ্বীনি জ্ঞান বিস্তারে দারুল উলুম দেওবন্দের দীর্ঘ ও ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সম্পৃক্ত একজন বিশিষ্ট আলেম হিসেবে হযরত মাওলানা মুফতি আবুল কাসেম নোমানী (দা.বা.) দীর্ঘদিন ধরে দ্বীনি শিক্ষা, হাদিসের পাঠদান, দাওয়াত ও ইসলামী জ্ঞানচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
তাঁর ইলমি প্রজ্ঞা, হাদিসশাস্ত্রে গভীর জ্ঞান, দ্বীনি শিক্ষা ও দাওয়াতের ক্ষেত্রে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর চিন্তাশীল দৃষ্টিভঙ্গির কারণে ভারত, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের আলেম-ওলামা ও ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে তিনি একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব।
বাংলাদেশ সফরের অংশ হিসেবে তিনি ৪ আগস্ট থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। সফরকালে তিনি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দ্বীনি ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছেন এবং দেশের আলেম-ওলামা, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও ধর্মপ্রাণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন।