‘বাজেট সুদূরপ্রসারী দিকনির্দেশনার সন্নিবেশন’

আপডেট : ০৮ জুন ২০২৪, ১২:১৬ এএম

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথযাত্রার দিকনির্দেশনার সন্নিবেশন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। 

বাজেট প্রতিক্রিয়া দৈনিক খবর সংযোগকে তিনি এ কথা বলেন। স্বপন বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটে বিশ্ব। বিশ্ব অর্থনীতির মন্দা কাটিয়ে আমাদের মতো মধ্যম আয়ের রাষ্ট্রের জন্য টিকে থাকা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

আবু সাঈদ আল মাহমুদ আরও বলেন, মাত্রাতিরিক্ত জনগণ অধ্যুষিত ছোট্ট দেশের খাদ্য, পুষ্টি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা এখন কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এই বাস্তবতার আলোকে গরীব জনগোষ্ঠীর স্বার্থ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়নের অভিযাত্রা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত বাজেটে সুনিপুণভাবে ভারসাম্য বজায় রাখা হয়েছে। সবশ্রেণির নাগরিকদের স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত বাজেটটি সবশেষ ভূমিকা পালন করবে। আমি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানাই।

ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ব্যাংক থেকেই ঋণ নিলে আদৌ সংকট সমাধান হবে কিনা জানতে চাইলে সংসদের হুইপ বলেন, ব্যাংকের কাজ আমানত গ্রহণ, ঋণ প্রদান বা বিনিয়োগ এবং ব্যাংকিং সেবা প্রদান। কিন্তু খারাপ ঋণ প্রদান নয়। খারাপ উদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদানের ফলে খেলাপি ঋণের সৃষ্টি হয়। তাই বলে ব্যাংক ঋণ প্রদান বন্ধ করলে তো ব্যাংকই চলবে না। সরকারের টার্গেট খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনা। স্বাভাবিক ঋণ কার্যক্রম বন্ধ করে ব্যাংক ধ্বংস করা নয়, দেশের অর্থনীতির গতিময় চাকা পাংচার করে দেওয়া নয়। সুতরাং চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলা করে মানবকল্যাণ ও টেকসই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ব্যাংকিং খাত থেকে সরকার ঋণ নিলে ব্যাংকিং খাতে নতুন করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা যারা করছেন, তারা এই রাষ্ট্রের ভাল কিছু দেখতে পান না। নেতিবাচক চিত্ত নিয়ে তারা বড়ই মনোযন্ত্রণায় ভুগছেন।

তিনি আরও বলেন, কর্মসংস্থানমুখী জনশক্তি গড়ার লক্ষ্যে প্রযুক্তি নির্ভর কারিগরি ও প্রকৌশল শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলে দেশের অভ্যন্তরে এবং বহির্বিশ্বে কর্মে নিয়োজিত করার লক্ষ্য এই বাজেট দেওয়া হয়েছে। মূল্যস্ফীতি এই শতাব্দীর অভিশাপ। এই অভিশাপ আমাদের মোকাবেলা করতেই হবে। মূল্যস্ফীতি যেমন কমাতে হবে, তেমনি জনগণের ক্রয়ক্ষমতাও বৃদ্ধি করতে হবে। ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে কর্মসংস্থান ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি উভয় বিষয়ই অ্যাড্রেস করা হয়েছে। যেমন- যে মেয়ে রান্না করেন, সে মেয়ে চুল বাঁধতেও পারেন।

MN/AS
আরও পড়ুন