ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই সম্পর্ককে কেন্দ্র করে ক্ষমতার অপব্যবহার ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগে এক লাখের বেশি মানুষ সমর্থন জানিয়েছেন। পুনর্নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া ইনফান্তিনোর জন্য এই অভিযোগ নতুন চাপ তৈরি করতে পারে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে ‘রিবুট ফিফা’ নামে একটি প্রচারণা শুরু হয়। ফিফার কথিত প্রশাসনিক ব্যর্থতার বিরুদ্ধে সংস্থাটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অভিযোগ দায়ের করাই ছিল এর লক্ষ্য। পরে প্রচারণার আওতা বাড়িয়ে ফোলারিন বালোগানের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বাতিল হয়ে যাওয়া ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) প্রকল্পের বিষয়ও যুক্ত করা হয়।
মঙ্গলবার ফিফার নৈতিকতা কমিটির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সঙ্গে দেওয়া চিঠিতে ‘রিবুট ফিফা’র আয়োজক ও অধিকারকর্মী সংগঠন ফেয়ার স্কয়ার কমিটিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে একই ধরনের একটি অভিযোগ জমা দেওয়া হলেও নৈতিকতা কমিটি কোনো জবাব দেয়নি বলে অভিযোগ করেছে ফেয়ার স্কয়ার। পরে অভিযোগটির প্রতি সমর্থন জানায় নরওয়ের ফুটবল ফেডারেশন এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ৫০ জন সদস্য।
ফেয়ার স্কয়ারের চিঠিতে বলা হয়েছে, এক লাখ মানুষ অভিযোগের সঙ্গে নিজেদের নাম যুক্ত করায় জনমনে উদ্বেগের মাত্রা স্পষ্ট হয়েছে। সংগঠনটি ফিফার নৈতিকতা কমিটির কাছে দ্রুত, স্বচ্ছ ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
অভিযোগের ভিত্তি হিসেবে চিঠিতে আটটি ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। ফেয়ার স্কয়ারের দাবি, এসব ঘটনা ফিফা সভাপতির ক্ষমতার অপব্যবহার, রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার দায়িত্ব লঙ্ঘন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ হওয়ার প্রচেষ্টায় দায়িত্বের সঙ্গে অসঙ্গতির ইঙ্গিত দেয়।
ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো এমন সময়ে সামনে এলো, যখন তিনি আবারও ফিফা সভাপতি পদে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন। এদিকে উয়েফা, এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) এবং কনকাকাফের পক্ষ থেকেও তার ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ দায়েরের বিষয়েও উয়েফার পক্ষ থেকে কথা বলা হয়েছে।
পুনর্নির্বাচনের আগে নতুন এই অভিযোগ ফিফার নেতৃত্ব, ইনফান্তিনোর ভূমিকা এবং সংস্থাটির রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো করতে পারে।
মদিনাকে কেন ‘তাইয়িবা’ বলা হয়
রাজধানীর যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না কাল