অ্যালেনের সেঞ্চুরিতে আফ্রিকাকে উড়িয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড

আপডেট : ০৫ মার্চ ২০২৬, ০১:৫২ এএম

১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ইডেনে প্রোটিয়া বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালালেন দুই কিউই ওপেনার টিম সেইফার্ট ও ফিন অ্যালেন।

সেইফার্টকে ফিফটির পর থামাতে পারলেও অ্যালেনকে কিছুতেই আটকানো যায়নি! সেমি ফাইনালের মতো হাই ভোল্টেজ ম্যাচে এসে ৩৩ বলে অপরাজিত সেঞ্চুরি করেছেন। যা টেস্ট খেলুড়ে দুটি দেশের মধ্যে কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। অ্যালেনের এমন অতিমানবীয় ইনিংসে উড়ে গেছে আফ্রিকা, ফাইনালের টিকিট পেয়েছে কিউইরা।

ইডেনে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ অপরাজিত ৫৫ রান করেছেন জানসেন। জবাবে ১২ ওভার ৫ বলে এক উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড।

ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেছেন অ্যালেন ও সেইফার্ট। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ক্যাচ দিয়েছিলেন সেইফার্ট, তবে সেটি মিস করেন উইকেটকিপার ডি কক। এরপর দুই প্রান্ত থেকেই ঝোড়ো ব্যাটিং করেছেন দুই কিউই ওপেনার।

পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৮৪ রান করে নিউজিল্যান্ড। তাতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। আর ফিরতে পারেনি। ২৫ বলে ফিফটি করেন সেইফার্ট। এরপর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৩৩ বলে ৫৮ রানে থেমেছেন। তার বিদায়ে ভাঙে ১১৭ রানের উদ্বোধনী জুটি।

আরেক ওপেনার অ্যালেন ফিফটি করেন ১৯ বলে। আর পরের ৫০ রান করতে খেলেন মাত্র ১৪ বল। অর্থাৎ ৩৩ বলে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন। যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্রুততম সেঞ্চুরি তো বটেই দুটি টেস্ট প্লেয়িং দেশের মধ্যকার টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। সবমিলিয়ে ৩৩ বলে ১০০ রান করে অপরাজিত ছিলেন অ্যালেন।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে কুইন্টন ডি কককে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ১০ রান করে এই ওপেনার ফিরলে ১২ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। তিনে নেমে ডাক খেয়েছেন রায়ান রিকেলটন। সুবিধা করতে পারেননি এইডেন মার্করামও।

দলের বিপদে হাল ধরেন ব্রেভিস। তবে ২৭ বলে ৩৪ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। ষষ্ঠ উইকেটে ক্রিস্টিয়ান স্টাবস ও জানসেন মিলে দুর্দান্ত জুটি গড়েন। ২৪ বলে ২৯ করেন স্টাবস।

তবে এই জুটি ভাঙার পর দ্রুতই ফিরেছেন করবিন বশ ও কাগিসো রাবাদা। শেষ পর্যন্ত জানসেনের ব্যাট থেকে এসেছে ৩০ বলে অপরাজিত ৫৫ রান। তাতেই লড়াইয়ের পুঁজি পায় প্রোটিয়ারা।

HN
আরও পড়ুন