মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ না থাকলে ট্রাম্প কী করতেন?

আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ নেই। আকাশে ক্ষেপণাস্ত্রের আলো নেই, তেলের বাজারে আতঙ্কের ঢেউ নেই, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে প্রতিদিন নতুন শিরোনাম নেই। ইসরায়েল, ইরান কিংবা উপসাগরীয় দেশগুলোও আপাতত নিজেদের মতো করে দিন কাটাচ্ছে। পৃথিবীর মানুষ একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। কেউ ভাবছে, এবার বুঝি শান্তির দিন ফিরলো!

কিন্তু ওয়াশিংটনের এক কোণে বসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কপালে চিন্তার ভাঁজ। পৃথিবী এত শান্ত কেন? টেলিভিশনের পর্দায় তার নাম কম আসছে কেন? সাংবাদিকেরা প্রতিদিন যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা, হুমকি আর পাল্টা হুমকির খবর না পেলে প্রশ্ন করবেনই বা কী? এ যেন এমন এক মঞ্চ, যেখানে প্রধান অভিনেতা প্রস্তুত, সংলাপ মুখস্থ, আলো জ্বলছে; শুধু নাটকের সংকটটাই নেই!

অবশ্য ট্রাম্পকে চেনা মানুষ জানেন, সংকটের অভাব তার কাছে খুব বড় সমস্যা হওয়ার কথা নয়। সংকট না থাকলে সংকটের সম্ভাবনা আছে; সম্ভাবনা না থাকলে প্রতিযোগিতা আছে; প্রতিযোগিতা না থাকলে অন্তত একটি সংবাদ সম্মেলন তো থাকছেই। আর সেখানে যদি ঘোষণা করা যায়, ‘আমিই ইতিহাসের সবচেয়ে বড় চুক্তি করতে যাচ্ছি’, তাহলে মন্দ কী! 

প্রথম দিন: শান্তির বিরুদ্ধে জরুরি বৈঠক!
সকালে হোয়াইট হাউসে জরুরি বৈঠক ডাকা হলো। আলোচ্যসূচি- মধ্যপ্রাচ্যে কোনো যুদ্ধ নেই, এখন কী করা যায়?
ট্রাম্প টেবিলে হাত রেখে বললেন, ‘এটা খুবই অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। এত দিন সবাই আমাকে ফোন করত। এখন কেউ ফোনই করছে না। সবাই কি ধরে নিয়েছে, আমি ছুটিতে আছি?’
এক উপদেষ্টা বিনয়ের সঙ্গে বললেন, ‘স্যার, অঞ্চলটিতে আপাতত উত্তেজনা কমেছে। মানুষ শান্তি চায়।’
ট্রাম্প কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন, ‘শান্তি ভালো। কিন্তু শান্তির কৃতিত্ব কার? সেটা কি পরিষ্কার?’

বৈঠকে উপস্থিত সবাই একে অন্যের মুখের দিকে তাকালেন। সমস্যার সমাধান পাওয়া গেল। নতুন একটি বিবৃতি তৈরি করতে হবে, যেখানে বলা হবে- যুদ্ধ না হওয়াটাও তার কূটনৈতিক সাফল্য হতে পারে।
কারণ যুদ্ধ হলে তিনি বলতে পারেন, শত্রুকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে; যুদ্ধ না হলে বলতে পারেন, শত্রু তার ভয়ে চুপ করে আছে। দুই অবস্থাতেই প্রচারের সম্ভাবনা অক্ষুণ্ণ!

দ্বিতীয় দিন: হরমুজ প্রণালিতে শান্তির মহড়া
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমে গেলে বিশ্ববাজারের তেল ব্যবসায়ীরা স্বস্তি পাবেন, জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হবে, বীমার খরচ কমতে পারে। কিন্তু ব্যঙ্গাত্মক কল্পনার ট্রাম্পের মাথায় তখন অন্য চিন্তা। তিনি ঘোষণা দিলেন, ‘হরমুজে এখন কোনো সমস্যা নেই। আর সমস্যা না থাকাটাই প্রমাণ করে, আমরা সমস্যাটিকে কত ভালোভাবে সামলেছি!’
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করলেন, ‘স্যার, যদি সমস্যা না-ই থাকে, তাহলে নতুন করে এত আলোচনা কেন?’
ট্রাম্প উত্তর দিলেন, ‘কারণ আমি চাই, সমস্যা হওয়ার আগেই সবাই বুঝুক- সমস্যা হলে কে ফোন করবে!’

এরপর শুরু হলো ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় শান্তিপূর্ণ সামুদ্রিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা’ তৈরির কাজ। পরিকল্পনার খসড়া এখনো তৈরি হয়নি, কিন্তু নামটি ইতিমধ্যে সংবাদমাধ্যমে চলে গেছে।
তেলের বাজারে অবশ্য ব্যবসায়ীরা নাম শুনে দাম বাড়াবেন, নাকি কমাবেন, সেটা তাদের হিসাব। ট্রাম্পের হিসাব আলাদা: শিরোনামে নাম থাকলেই আপাতত কাজ হয়েছে।

তৃতীয় দিন: ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তি, চুক্তির আগেই ঘোষণা
যুদ্ধ নেই, নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নতুন সংঘাত নেই, আলোচনার টেবিলও আপাতত শান্ত। এমন অবস্থায় ট্রাম্পের কূটনৈতিক দল ভাবলো, একটি বড় চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলা যেতে পারে।
ট্রাম্প ঘোষণা করলেন, ‘আমরা এমন একটি চুক্তির কাছাকাছি, যা আগে কেউ কল্পনাও করেনি।’
সাংবাদিকেরা জানতে চাইলেন- চুক্তিতে কী আছে?
উত্তর এল, ‘সবকিছু।’
কবে স্বাক্ষর হবে?
‘খুব শিগগির।’
দুই পক্ষ কি সম্মত হয়েছে?
‘আলোচনা চলছে।’

এখানেই কূটনীতির নাটকীয়তা। চুক্তি এখনো হয়নি, শর্ত চূড়ান্ত নয়, পক্ষগুলোর অবস্থানও পুরোপুরি মেলেনি; কিন্তু ভবিষ্যৎ চুক্তির সংবাদ সম্মেলন যেন ইতিমধ্যেই সফল!
অবশ্য বাস্তব কূটনীতিতে চুক্তি করতে হলে দুই পক্ষের সম্মতি, পারস্পরিক আস্থা এবং কঠিন শর্তের সমাধান প্রয়োজন। শুধু মাইক্রোফোনের সামনে আত্মবিশ্বাসী হওয়া যথেষ্ট নয়। কিন্তু ব্যঙ্গের জগতে ঘোষণা আগে, কাগজপত্র পরে এলেও চলে।

চতুর্থ দিন: শান্তি পুরস্কারের জন্য নিজের মনোনয়ন
বিশ্বের কোথাও যুদ্ধ থেমে গেলে শান্তির দাবিদারদের অভাব হয় না। কেউ বলেন, কূটনীতি কাজ করেছে; কেউ বলেন, অর্থনৈতিক চাপ; কেউ বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলোর উদ্যোগ। আর কাল্পনিক ট্রাম্পের দপ্তরে তখন তৈরি হচ্ছে একটি দীর্ঘ তালিকা- শান্তির পেছনে কার অবদান কতখানি।

তালিকার প্রথম পাতায় নিজের নাম দেখে তিনি সন্তুষ্ট।
‘আমি যদি যুদ্ধ থামাতে পারি, পুরস্কার পাব না কেন?’ তিনি প্রশ্ন করলেন।
উপদেষ্টা বললেন, ‘স্যার, পুরস্কারের জন্য সাধারণত অন্যদেরও মূল্যায়ন করতে হয়।’
ট্রাম্প বললেন, ‘অবশ্যই। অন্যদেরও দেখা হবে। তবে আমার অবদানটা যেন চোখ এড়িয়ে না যায়।’

এবার তৈরি হলো নতুন স্লোগান: ‘যুদ্ধ নেই, কারণ আমরা আছি।’
এ স্লোগানের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো- শান্তি কত দিন টিকবে, তার নিশ্চয়তা দিতে হয় না। আজ শান্তি থাকলে কৃতিত্ব দাবি করা যাবে, কাল উত্তেজনা বাড়লে বলা যাবে, প্রতিপক্ষ চুক্তির শর্ত মানেনি।
রাজনীতির এই কাল্পনিক খেলায় প্রতিটি পরিস্থিতির জন্য আলাদা বক্তব্য প্রস্তুত।

পঞ্চম দিন: যুদ্ধ নেই, তাই এবার বাণিজ্যযুদ্ধ!
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের খবর কমে গেলে বিশ্ববাসী ভাবতে পারে, এবার বুঝি অর্থনীতি নিয়ে কথা হবে। ট্রাম্পও অর্থনীতি নিয়ে কথা বলবেন; তবে তার নিজস্ব স্টাইলে। কোন দেশ কত শুল্ক দেবে, কে আমেরিকার সঙ্গে কত বড় বাণিজ্যচুক্তি করবে, কোন পণ্যের ওপর কত শতাংশ কর বসবে, এসব নিয়ে শুরু হবে নতুন অধ্যায়।

এক উপদেষ্টা বললেন, ‘স্যার, যুদ্ধ না থাকলেও অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা তো আছেই।’
ট্রাম্প বললেন, ‘চমৎকার! তাহলে এটাকে বলি বাণিজ্যের যুদ্ধ। এখানে গোলা-বারুদ লাগবে না, লাগবে শুল্কের তালিকা।’

এবার বিশ্বনেতারা সামরিক মানচিত্রের বদলে হাতে নিলেন বাণিজ্যিক হিসাবের খাতা। কেউ পাল্টা শুল্ক বসালেন, কেউ আলোচনায় বসলেন, কেউ আবার বললেন, ‘আমাদের সঙ্গে চুক্তি না করলে বাজার হারাবেন।’

পার্থক্য শুধু একটাই- এবার যুদ্ধক্ষেত্রে ট্যাংকের বদলে ক্যালকুলেটর, ক্ষেপণাস্ত্রের বদলে শুল্কের হার।
তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন থেকেই যায়: বড় নেতাদের বাণিজ্যিক বিজয়ের হিসাবের মধ্যে নিত্যপণ্যের দাম, কর্মসংস্থান আর সংসারের খরচের হিসাবটি কে রাখবে?

ষষ্ঠ দিন: নিজের নামেই নতুন আন্তর্জাতিক দিবস!
যুদ্ধ নেই, বাণিজ্যযুদ্ধও সাময়িক বিরতিতে। এবার ট্রাম্পের মাথায় এল নতুন ধারণা- একটি আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করা যেতে পারে।
নাম কী হবে?
‘বিশ্ব চুক্তি দিবস’ প্রস্তাব করলেন একজন উপদেষ্টা।
‘না, আরও বড় কিছু চাই’, বললেন ট্রাম্প।
‘বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধি দিবস?’
ট্রাম্প এবার একটু ভাবলেন। তারপর বললেন, ‘নামের মধ্যে আমার অবদানটা বোঝা যায় কি?’

বৈঠকে আবার নীরবতা। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হলো, দিবসের নাম নিয়ে গবেষণা চলবে। একটি আন্তর্জাতিক কমিটি গঠনের প্রস্তাবও বিবেচনায় থাকবে। কমিটি গঠনের আগেই অবশ্য প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হবে, ধারণাটি বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
এদিকে জাতিসংঘের এক কর্মকর্তা যদি প্রশ্ন করেন, ‘এ দিবসের বাস্তব উদ্দেশ্য কী?’ তাহলে উত্তর প্রস্তুত: ‘বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করা।’

কীভাবে?
‘আলোচনার মাধ্যমে।’
কার আলোচনায়?
এ প্রশ্নের উত্তর আপাতত পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনের জন্য তোলা থাকল।

সপ্তম দিন: যুদ্ধের বদলে সংবাদ সম্মেলন
অবশেষে হোয়াইট হাউসে বড় সংবাদ সম্মেলন। সাংবাদিকেরা হাজির, ক্যামেরা প্রস্তুত, মাইক্রোফোনে আলো জ্বলছে।
ট্রাম্প মঞ্চে এসে ঘোষণা করলেন, ‘এই সপ্তাহে আমরা অসাধারণ কাজ করেছি। যুদ্ধ ছাড়াই বিশ্বকে ব্যস্ত রেখেছি। তেলের বাজার নিয়ে কথা হয়েছে, বাণিজ্য নিয়ে কথা হয়েছে, শান্তি নিয়ে কথা হয়েছে। এমন কর্মব্যস্ত সপ্তাহ আগে কেউ দেখেনি।’
এক সাংবাদিক জানতে চাইলেন, ‘স্যার, মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষ কি এই শান্তির সুফল পাচ্ছেন?’
প্রশ্নটি একটু কঠিন। কারণ শান্তি শুধু বড় নেতাদের ঘোষণায় প্রতিষ্ঠিত হয় না। মানুষের ঘরে ফিরতে পারা, শিশুর স্কুলে যাওয়া, হাসপাতালের চিকিৎসা পাওয়া, ধ্বংস হওয়া বাড়ি পুনর্নির্মাণ এবং নিরাপদে জীবিকা নির্বাহের মধ্য দিয়েই শান্তির বাস্তবতা যাচাই হয়।

ট্রাম্পের কাল্পনিক সংবাদ সম্মেলনে অবশ্য প্রশ্নটির উত্তর দেওয়ার আগেই আরেকজন সাংবাদিক জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনি কি মনে করেন, আপনিই ইতিহাসের সবচেয়ে সফল প্রেসিডেন্ট?’
ট্রাম্প হাসলেন। ‘আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। তবে অনেকেই বলেন।’
সাংবাদিকেরা লিখলেন। ক্যামেরা চলল। পরদিন পত্রিকার শিরোনাম হলো- ‘শান্তির মধ্যেও ট্রাম্পের ব্যস্ততা তুঙ্গে’।

অথচ যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলের এক মা হয়তো তখনও ভাবছেন- তার সন্তান কবে নিরাপদে ঘরে ফিরবে। কোনো বাবা হয়তো ধ্বংসস্তূপের নিচে হারানো বাড়ির ছবি হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। কোনো শিশু হয়তো জানেই না, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তার জীবনের মূল্য কতখানি। বড় নেতাদের সংবাদ সম্মেলন শেষ হয়। কিন্তু সাধারণ মানুষের যুদ্ধ শেষ হতে অনেক সময় আরও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়।

শেষ দৃশ্য: পৃথিবী শান্ত হলে আসল পরীক্ষা
এই ব্যঙ্গাত্মক কাহিনির শেষে একটি প্রশ্ন থেকেই যায়, যুদ্ধ না থাকলে ট্রাম্প কী করবেন?
সম্ভবত তিনি তখনও রাজনীতি করবেন, চুক্তি নিয়ে আলোচনা করবেন, প্রতিদ্বন্দ্বীদের সমালোচনা করবেন এবং নিজের সাফল্যের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরবেন। কারণ রাজনীতি কেবল যুদ্ধের ওপর নির্ভর করে না। তবে নাটকীয় বক্তব্য, বড় ঘোষণা ও বিজয়ের দাবি যখন রাজনৈতিক যোগাযোগের কেন্দ্রে চলে আসে, তখন বাস্তব ফলাফল যাচাই করার প্রয়োজন আরও বেড়ে যায়।

মধ্যপ্রাচ্যের মানুষ যদি সত্যিই শান্তি পায়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ নিরাপদে চলতে পারে, তেলের দাম স্থিতিশীল হয় এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিবারগুলো ঘরে ফেরার সুযোগ পায়, তাহলে সেটি অবশ্যই স্বাগত জানানোর মতো ঘটনা। সেই সাফল্য যে পক্ষই অর্জন করুক, তার মূল্যায়ন হওয়া উচিত বাস্তব ফলাফলের ভিত্তিতে। শান্তি কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত ট্রফি নয়। এটি লাখো মানুষের বেঁচে থাকা, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত।

তাই যুদ্ধ না থাকলে ট্রাম্প কী করবেন, তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো- যুদ্ধ না থাকলে বিশ্বনেতারা শান্তিকে কীভাবে টিকিয়ে রাখবেন? কারণ যুদ্ধের খবর দিয়ে সংবাদ সম্মেলন জমিয়ে তোলা যায়, কিন্তু শান্তি টিকিয়ে রাখতে লাগে ধৈর্য, দায়িত্ববোধ, সমঝোতা এবং মানুষের জীবনের প্রতি সম্মান।

আর পৃথিবীর সাধারণ মানুষের চাওয়া খুব সহজ: নেতারা যত খুশি নিজেদের কৃতিত্বের হিসাব করুন, শুধু তাদের সেই হিসাবের খরচ যেন আর সাধারণ মানুষকে রক্ত, অশ্রু আর ধ্বংসের বিনিময়ে দিতে না হয়।

বি.দ্র.  তবে এই পুরো কাহিনি বাস্তব ঘটনার বিবরণ নয়; এটি ট্রাম্পের প্রকাশ্য রাজনৈতিক ভঙ্গি, নাটকীয় বক্তব্য ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতিকে ঘিরে একটি কাল্পনিক ব্যঙ্গাত্মক ফিচার।

জেএম
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত