বাংলাদেশের জন্য সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ ট্যারিফ নির্ধারণ যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের জন্য সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ ট্যারিফ নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তুলনায় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত, প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা বজায় রাখবে।

মার্কিন সরকারের ঘোষণায় বলা হয়েছে, ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ৩০১-এর আওতায় জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহারের অভিযোগ তদন্তের পর ৮৬টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ৬০টি অর্থনীতির ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। ওয়াশিংটন সময় ২৪ জুলাই রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।

নতুন ব্যবস্থায় ট্যারিফ হার ১০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি আগে সেকশন ১২২-এর আওতায় চালু থাকা অস্থায়ী ১০ শতাংশ বৈশ্বিক ট্যারিফের পরিবর্তে কার্যকর হবে।

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া সব পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ ট্যারিফ আরোপ হবে, যা বিদ্যমান এমএফএন (Most-Favored-Nation) শুল্কের অতিরিক্ত হিসেবে প্রযোজ্য হবে। তবে ৮৬টি দেশের মধ্যে মাত্র ১৭টি দেশ এই সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ ট্যারিফ স্তরে রয়েছে, যার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী দেশ চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের ওপর সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ট্যারিফ আরোপ করা হয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এসব দেশের তুলনায় বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এছাড়া, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার জন্য তিন বছরের Tariff-Rate Quota (TRQ) চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (USTR)। এটি কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও টেক্সটাইল উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি পণ্যের ক্ষেত্রে সেকশন ৩০১-এর অতিরিক্ত ট্যারিফ মওকুফ হতে পারে। এতে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক শ্রমমান বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং রপ্তানি খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি, মান-অনুবর্তিতা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাবে।

AHA
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত