যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির খবরে বিশ্ববাজারে হঠাৎ করে সোনার দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। কর্মসংস্থানের এই ইতিবাচক পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক 'ফেডারেল রিজার্ভ' চলতি মাসেই সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন শঙ্কা জোরদার হওয়ায় কমছে বিনিয়োগকারীদের সোনা কেনার প্রবণতা। ফলে সপ্তাহ জুড়েই নিম্নমুখী ধারায় রয়েছে মূল্যবান এই ধাতুটির বাজার।
শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ১.২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৪১৯.০৯ ডলারে নেমে এসেছে। তথ্যের প্রভাবে লেনদেনের একপর্যায়ে সোনার দাম ২ শতাংশেরও বেশি কমে দিনের সর্বনিম্ন ৪,৩৬৪.৯৯ ডলারে নেমে যায়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ডিসেম্বরে সরবরাহের জন্য সোনা ফিউচারসের দাম ১.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৪৭৬.৬০ ডলারে স্থির হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানা গেছে, গত আগস্ট মাসে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির গতি হঠাৎ বহুগুণ বেড়েছে, যার ফলে দেশটির বেকারত্বের হার ৪.১ শতাংশে স্থির রয়েছে। শ্রমবাজারের এই সুদৃঢ় অবস্থান ফেডকে চলতি সেপ্টেম্বরের মুদ্রানীতি বৈঠকে সুদের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করবে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
তথ্য প্রকাশের পর আগামী ১৫-১৬ সেপ্টেম্বরের ফেড বৈঠকে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা পূর্বের ৫৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬৫ শতাংশে পৌঁছেছে। বাইবিটের প্রধান বাজার বিশ্লেষক হ্যান তান জানান, মার্কিন ডলারের মূল্যবৃদ্ধি অন্য দেশের মুদ্রাধারীদের জন্য সোনা কেনা আরও ব্যয়বহুল করে তুলেছে। একই সঙ্গে রুপা, প্ল্যাটিনাম এবং প্যালাডিয়ামের দামও বিশ্ববাজারে হ্রাস পেয়েছে। এখন বিশ্ববাজারের নজর আগামী সপ্তাহের মূল্যস্ফীতি (সিপিআই) রিপোর্টের দিকে।
সূত্র: রয়টার্স
বলিভিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১০