তেল আবিবে ইরানি হামলায় অন্তত ৪০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেট : ০১ মার্চ ২০২৬, ০২:৩২ পিএম

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর ও প্রযুক্তিগত কেন্দ্র তেল আবিবে অন্তত ৪০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে দেশটির এই বাণিজ্যিক এলাকায় ২০০ জনেরও বেশি বাসিন্দাকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে সরিয়ে তিনটি হোটেলে নেওয়া হয়েছে। 

রোববার (১ মার্চ) ইসরায়েলের প্রাচীনতম এবং প্রভাবশা সংবাদমাধ্যম হারেৎজ (Haaretz) এর বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।

খবরে জানা গেছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর ইরান ভয়াবহ প্রতিশোধমূলক অভিযান শুরু করেছে। তার প্রধান লক্ষ্যবস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে ইসরায়েলের বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র তেল আবিব। শনিবারের এই হামলায় শহরটির আবাসিক ও কৌশলগত অবকাঠামো নজিরবিহীন ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

জানা গেছে, ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের ছোড়া শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তেল আবিবের অন্তত ৪০টি ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিছু ভবন আংশিক ধসে পড়েছে, যার ফলে সেগুলো এখন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। নিরাপত্তার খাতিরে এবং আরও হামলার আশঙ্কায় নগর কর্তৃপক্ষ ২০০-এর বেশি বাসিন্দাকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে সরিয়ে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে (হোটেল ও বাঙ্কারে) সরিয়ে নিয়েছে।

যদিও ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Iron Dome ও Arrow) সক্রিয় ছিল, তবে ইরানের ‘স্যাচুরেশন অ্যাটাক’ বা একসাথে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কারণে প্রতিরক্ষা দেয়াল ভেদ করে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি জনাকীর্ণ এলাকায় আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। জরুরি সেবা কর্মীরা বর্তমানে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছেন এবং ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করছেন।

উপসংহার: তেল আবিবের মতো সুরক্ষিত শহরে এই পর্যায়ের ক্ষয়ক্ষতি প্রমাণ করে যে, ইরান এবার তাদের পূর্ণ সামরিক শক্তি নিয়োগ করেছে। এই হামলার ফলে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে মানবিক সংকট এবং আতঙ্ক তীব্রতর হয়েছে, যা দেশটিকে আরও বড় ধরনের পাল্টা সামরিক পদক্ষেপের দিকে ঠেলে দিতে পারে। সূত্র: আল জাজিরা

SN
আরও পড়ুন