ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতির আগে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। সাবেক মার্কিন ন্যাশনাল কাউন্টারটেরোরিজম সেন্টারের পরিচালক জো কেন্ট দাবি করেছেন, গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী ওই সময়ে তেহরান কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছিল না।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কেন্ট জানান, সিআইএ-সহ (CIA) যুক্তরাষ্ট্রের সকল শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা এই তথ্যে একমত ছিল যে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণের পথে হাঁটছে না।
তাঁর এই দাবি ওয়াশিংটনের তৎকালীন যুদ্ধংদেহী অবস্থানের বিপরীতে গোয়েন্দা তথ্যের এক বড় ধরনের বৈপরীত্য তুলে ধরেছে। জো কেন্টের মতে, যুদ্ধের আগের সেই সময়ে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে এ বিষয়ে কোনো মতভেদ ছিল না এবং তাদের মূল্যায়ন ছিল অভিন্ন।
তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েল নামের একটি বিদেশি সরকারের প্রচারিত বয়ান ও রাজনৈতিক এজেন্ডাই শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রকে এই যুদ্ধে ঠেলে দেয়।
কেন্ট বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আগেই সতর্ক করেছিল যে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু করবে এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিতে পারে।
তার মতে, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব লক্ষ্য করে হামলা চালালে উল্টো দেশটির কট্টরপন্থিদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে-এমন মূল্যায়নও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো করেছিল।
কেন্ট গত মার্চ মাসে নিজের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। পদত্যাগপত্রে তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানবিরোধী যুদ্ধের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন এবং বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তাৎক্ষণিক কোনো হুমকি ছিল না।
তিনি আরও দাবি করেন, ইসরায়েল ও তাদের শক্তিশালী আমেরিকান লবি যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে জড়াতে চাপ সৃষ্টি করেছিল।
ভেনেজুয়েলার সাড়ে ১৩ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নিলো যুক্তরাষ্ট্র