হান্টাভাইরাস

এমভি হন্ডিয়াসের ব্রিটিশ যাত্রীদের পাঠানো হচ্ছে কোয়ারেন্টাইনে

আপডেট : ১০ মে ২০২৬, ০৮:৫১ এএম

হান্টাভাইরাসের কবলে পড়া ‘এমভি হন্ডিয়াস’ প্রমোদতরি থেকে উদ্ধার করা ব্রিটিশ নাগরিকদের মার্সিসাইডের উইরাল এলাকায় অবস্থিত অ্যারো পার্ক (Arrowe Park) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হচ্ছে। রোববার (১০ মে) টেনারিফ থেকে বিশেষ বিমানে ১৯ জন ব্রিটিশ যাত্রী এবং ৩ জন ক্রু সদস্যকে সরাসরি সেখানে নিয়ে গিয়ে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে।

উইরাল ইউনিভার্সিটি টিচিং হসপিটাল ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী জেনেল হোমস জানিয়েছেন, এই ব্রিটিশ নাগরিকদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ভাইরাসের কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি। তা সত্ত্বেও সতর্কতা হিসেবে তাদের নির্দিষ্ট আইসোলেশন ব্লকে রাখা হবে। 

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারির শুরুর দিকেও চীন থেকে ফেরা ব্রিটিশ নাগরিকদের এই হাসপাতালেই কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছিল।

এদিকে, তিনজনের প্রাণ নেওয়া এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ে বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া আতঙ্কের মুখে মুখ খুলেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মহাপরিচালক ড. তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস। টেনারিফবাসীর আতঙ্ক দূর করতে শনিবার এক ব্যক্তিগত বিবৃতিতে তিনি বলেন, হান্টাভাইরাস অবশ্যই গুরুতর, কিন্তু সাধারণ মানুষের জন্য এর ঝুঁকি অত্যন্ত কম। আমি পরিষ্কার করে বলছি এটি কোভিডের মতো কোনো মহামারি নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বর্তমানে স্পেন সফরে রয়েছেন এবং স্প্যানিশ প্রেসিডেন্ট পেদ্রো সানচেজের সঙ্গে এই উদ্ধার অভিযান নিয়ে সমন্বয় করছেন।

প্রমোদতরিটির রোববার ভোরে টেনারিফের গ্রানাডিলা পোর্টের কাছে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তবে স্থানীয় সরকারের আপত্তির মুখে জাহাজটিকে বন্দরে ভিড়তে দেওয়া হবে না; বরং গভীর সমুদ্রে নোঙর করে রাখা হবে। সেখান থেকেই বিশেষ নিরাপত্তায় যাত্রীদের স্ক্রিনিং শেষে সরাসরি নিজ নিজ দেশের বিমানে তুলে দেওয়া হবে। সম্ভাব্য সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে যাত্রীদের ৪২ দিনের আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে সোমবারের পর সমুদ্রে প্রবল বাতাসের পূর্বাভাস থাকায় উদ্ধার অভিযান দ্রুত সম্পন্ন করতে চরম ব্যস্ততা চলছে। সূত্র: আলজাজিরা

SN
আরও পড়ুন