প্রয়োজন দেখা দিলে পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনী আবারও যুদ্ধ শুরু করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং সংঘাতের প্রথম দিনের চেয়েও বর্তমানে তারা সেখানে অনেক বেশি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
শনিবার সিঙ্গাপুর সফরকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। তবে একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও যুদ্ধে জড়ানোর চেয়ে কূটনৈতিক উপায়েই বিষয়টির সমাধান পছন্দ করবেন।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মূল লক্ষ্য হলো ইরান যেন কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে এবং এই লক্ষ্য থেকে আমেরিকা একচুলও নড়েনি। তিনি বলেন, যদি আবারও যুদ্ধে জড়াতে হয়, তবে সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা ও নতুন করে অভিযানে নামার জন্য আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছি।
ইরান প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ইরান এখন আমাদের শর্তের দিকেই আসছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে এবং আমার মনে হয় তারা বুঝতে পেরেছে যে এই আলোচনা কোন দিকে নেওয়া উচিত।
উপসাগরীয় অঞ্চলের কৌশলগত জলসীমা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে হেগসেথ বলেন, ইরান দাবি করতে চায় যে হরমুজ প্রণালি তাদের নিয়ন্ত্রণে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এর নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে।
এর আগে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত ‘শাংরি-লা ডায়ালগ’ নিরাপত্তা ফোরামে হেগসেথ বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে যেকোনো শান্তিচুক্তি যেন দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথ চিরতরে বন্ধ করে দেয়, তা নিশ্চিত করতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অত্যন্ত ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছেন। তবে ইরান যদি এমন একটি দুর্দান্ত চুক্তি করতে রাজি না হয়, তবে তাদের মার্কিন সামরিক বাহিনীর মুখোমুখি হতে হবে। সেইসঙ্গে যেকোনো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মার্কিন বাহিনীর কাছে পর্যাপ্ত অস্ত্রের মজুত রয়েছে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সূত্র: সিএনএন
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে শুরু থেকেই ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিল আমিরাত: রিপোর্ট