বড় আকারের বহুমুখী সংঘাতের জন্য সামরিক বাহিনীর প্রস্তুতি যাচাই করতে আকস্মিক মহড়া শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। মহড়ায় রিজার্ভ সেনা মোতায়েন এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সতর্কতা ব্যবস্থা সক্রিয় করার সক্ষমতাও পরীক্ষা করা হচ্ছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ‘ডন কস্ট ২.০’ (Dawn Cost 2.0) নামের এই মহড়ার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সামরিক বাহিনীর প্রধান এয়াল জামির। এতে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন আঞ্চলিক কমান্ড, শাখা ও ইউনিটের কমান্ডাররা অংশ নিচ্ছেন।
মহড়ায় বিভিন্ন স্তরে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সম্ভাব্য সামরিক পরিস্থিতিতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সক্ষমতা যাচাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ফ্রন্টে সাম্প্রতিক যুদ্ধ এবং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলা থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা ও শিক্ষাও মহড়ার পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সামরিক বাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মহড়া চলাকালে ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জামের চলাচল বাড়বে। আকাশপথেও সামরিক বিমান চলাচল বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে সাধারণ মানুষের চোখে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি সামরিক তৎপরতা দৃশ্যমান হবে।
এর আগে ২০২৬ সালের মে মাসেও এয়াল জামিরের নেতৃত্বে জর্ডান সীমান্তে একটি আকস্মিক জেনারেল স্টাফ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই মহড়ায় অনুপ্রবেশ, ড্রোন হামলা এবং বেসামরিক এলাকায় জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি পরীক্ষা করা হয়।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এই মহড়া এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন দেশটির সামরিক প্রস্তুতি ও সক্ষমতা নিয়ে অভ্যন্তরীণভাবে নানা চাপ রয়েছে। সাম্প্রতিক এক মূল্যায়নে জামির সতর্ক করে বলেছেন, বাজেট ঘাটতি সামরিক বাহিনীর প্রস্তুতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
পুতিনের সঙ্গে মার্কিন দূতদের কি আলোচনা হলো?
হুতিদের কাছ থেকে হায়েস জেলা পুনরুদ্ধার, দাবি ইয়েমেনি বাহিনীর