সৌদি আরবের ওপর রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) নতুন হামলা এবং উপসাগরে জাহাজে আক্রমণের ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইনে হামলা এবং ইয়েমেনে হুথিদের অগ্রযাত্রার পর যুদ্ধ আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের ওপর সংকট আরও গভীর হওয়ার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।
বিশ্বের বৃহত্তম তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবের জ্বালানি সরবরাহ এখন নতুন করে ঝুঁকির মুখে। সপ্তাহান্তের এসব ঘটনার পর সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজার খুললে তেলের দাম আবারও বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন তেল ব্যবসায়ীরা।
সৌদি আরবের ১,২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইন ড্রোন হামলার পর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই পাইপলাইন দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ ব্যারেল তেল, অর্থাৎ বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় ৪ থেকে ৫ শতাংশ, পরিবহন করা হচ্ছিলো।
একই সময়ে হরমুজ প্রণালিতে একটি জাহাজে প্রজেক্টাইল আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে। ব্রিটিশ নৌবাহিনী-সমর্থিত ইউকেএমটিও জানিয়েছে, জাহাজটির ক্ষয়ক্ষতি ও নাবিকদের অবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট ছিল না। অন্যদিকে, ইয়েমেনের হুথিরা লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দাব প্রণালির কাছে পেরিম দ্বীপে পৌঁছেছে। ফলে হরমুজের পাশাপাশি বিশ্বের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তেল ও বাণিজ্যপথও নতুন করে ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
বৈশ্বিক সরবরাহে ৪ শতাংশ তেল ঘাটতির শঙ্কা
হুথিদের সঙ্গে সংঘর্ষে ৫ শতাধিক ইয়েমেনি সেনা নিহত