ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কেশম দ্বীপের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত বা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। উন্নত ইলেকট্রনিক যুদ্ধপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ড্রোন দুটি নামানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটির মহাকাশ বিভাগ।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ইরানের বার্তা সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সি (এমএনএ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ কেশম দ্বীপের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি এমকিউএম-১৭০ গোয়েন্দা ড্রোনকে তাদের উন্নত ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থার মাধ্যমে অকার্যকর করে মাটিতে নামানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, এ দুটি ড্রোনসহ এ ধরনের যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করা ড্রোনের সংখ্যা বেড়ে চারটিতে দাঁড়িয়েছে। আইআরজিসি বলেছে, ড্রোন ব্যবহার করে সামরিক লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ব্যর্থ হয়েছে। এ ঘটনাকে তারা মার্কিন সামরিক অভিযানের ব্যর্থতার আরেকটি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) কমান্ডার ব্র্যাড কুপারের সমালোচনা করেছে ইরানি বাহিনী।
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির কাছে কেশম দ্বীপে ড্রোন জব্দের এ দাবি সামনে এলো এমন এক সময়ে, যখন অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। এর আগে সোমবার রাতে কেশম দ্বীপ ও বন্দর লেঙ্গেহ এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনার খবর প্রকাশ করেছিল ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম। একই সময়ে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন উড়োজাহাজ লক্ষ্য করে আইআরজিসির ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ এবং এর জবাবে কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার খবরও মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত হয়। তবে সর্বশেষ দুটি ড্রোনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া কিংবা ড্রোন জব্দের দাবির স্বাধীন নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।
মার্কিন বিমানে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দোহাই দিয়ে কেশম দ্বীপে হামলা
ডেমোক্র্যাটরা জিতলে ‘মিস্টার ভেটো’ হবেন ট্রাম্প!