যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় ধরনের রাজনৈতিক বিপর্যয়ের পর ইরান প্রশ্নে নতুন করে দ্বিধায় পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কখনো ইরানকে ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি, আবার কখনো আলোচনায় অগ্রগতির দাবি, ট্রাম্পের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে সামরিক ও কূটনৈতিক পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।
মঙ্গলবারের (৩ নভেম্বর) মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর ট্রাম্প স্বীকার করেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ রিপাবলিকানদের পরাজয়ের অন্যতম কারণ। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, প্রয়োজনে ইরানের বাকি অংশও ধ্বংস করতে হতে পারে। কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা শিগগিরই জানা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শুক্রবার ইরানের কেশম দ্বীপে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘সীমিত হামলা’ চালানোর কথাও স্বীকার করেন ট্রাম্প।
একই দিনে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানায়, হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপের সুজা এলাকায় দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তবে সামরিক হামলার খবরের মধ্যেই ট্রাম্প বলেন, ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে- ওয়াশিংটন কি আবার বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাতে যাচ্ছে, না-কি সমঝোতার পথ খুঁজছে? আল-জাজিরার এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং যুদ্ধের অবসানে ইরানের কঠোর শর্তের বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ ট্রাম্পকে কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে ফেলেছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা কি ভেঙে গেছে?
শুক্রবার সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তার ভাষায়- ‘আমরা এখন তাদের সঙ্গে আলোচনা করছি। তারা একটি চুক্তি করতে চায়।’ তবে আলোচনার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
শনিবার কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছড়িয়ে পড়া যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার দাবি নাকচ করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের প্রচার কেবল তাদেরই সুবিধা দেয়, যারা যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে চায়। কাতারের এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, সামরিক উত্তেজনা থাকলেও মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা বন্ধ হয়নি।
কেশম দ্বীপে আবার কেন হামলা?
শুক্রবার কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা নিশ্চিত করেছেন ট্রাম্প। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, দ্বীপটির সুজা এলাকায় দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতেও দ্বীপটিতে ‘প্রতিরক্ষামূলক হামলা’ চালানোর কথা জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটি এবং ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনার জন্য পরিচিত কেশম দ্বীপ হরমুজ প্রণালির কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, তাদের হামলার লক্ষ্য ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণব্যবস্থা। এর আগে এক মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এপিকে বলেছিলেন, মার্কিন সামরিক সম্পদের বিরুদ্ধে ইরানের ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের সক্ষমতা ঠেকাতেই হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, দেশটির সেনাবাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষাবাহিনী কেশম দ্বীপের আকাশে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন শনাক্ত করে ভূপাতিত করেছে। তবে এ দাবি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার তথ্য প্রতিবেদনে নেই। এদিকে বিস্ফোরণের খবরের পর যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, পরিস্থিতি তুলনামূলক শান্ত রয়েছে।
পারমাণবিক স্থাপনায় নতুন হামলার প্রস্তুতি?
ইরান আশঙ্কা করছে, যুক্তরাষ্ট্র আবার দেশটির পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। এ কারণে পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোর আশপাশের জনগোষ্ঠীর মধ্যে আয়োডিন ট্যাবলেট বিতরণ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, পারমাণবিক স্থাপনার দুই থেকে তিন কিলোমিটার এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে এসব ট্যাবলেট বিতরণ করা হচ্ছে। ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ট্রাম্পকে আর বিশ্বাস করা যায় না; তিনি এমন পদক্ষেপ নিতে পারেন। পারমাণবিক দুর্ঘটনা বা তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় থাইরয়েড গ্রন্থিকে তেজস্ক্রিয় আয়োডিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখতে আয়োডিন ট্যাবলেট ব্যবহার করা হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের এক রাজনৈতিক সাংবাদিকের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এক ব্রিফিংয়ে কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে, ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ ও স্থাপনার জন্য পরিচিত অত্যন্ত সুরক্ষিত ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ পারমাণবিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে মার্কিন হামলার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। এছাড়া ইরানের ইয়ং জার্নালিস্টস ক্লাব জানিয়েছে, দেশটির একমাত্র চালু পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অবস্থিত বুশেহর শহরের বাসিন্দাদের মধ্যেও আয়োডিন ট্যাবলেট বিতরণ করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, স্থাপনা, সরঞ্জাম ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্যের জন্য সর্বোচ্চ দুই কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে। তবে এসব পদক্ষেপের কোনোটিই যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পারমাণবিক হামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের প্রমাণ নয়।
ট্রাম্পের সামনে কঠিন রাজনৈতিক ও সামরিক হিসাব
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা চালানো নিয়ে ট্রাম্পের দ্বিধার পেছনে রয়েছে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং তেহরানের পাল্টা কৌশল। মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয়ের পর রিপাবলিকান পার্টির ভেতরেও যুদ্ধ নিয়ে অসন্তোষ বেড়েছে। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া ও শান্তি আলোচনা শুরুর আগে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কয়েকটি শর্ত দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা ইরানি সম্পদ মুক্ত করা, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে হামলা বন্ধের নিশ্চয়তা।
ট্রাম্পের জন্য সমস্যা হলো- এসব শর্ত মেনে নিলে তা রাজনৈতিকভাবে দুর্বলতা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। আবার শর্ত প্রত্যাখ্যান করে নতুন হামলা চালালে দেশে যুদ্ধবিরোধী অসন্তোষ আরও বাড়তে পারে। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও মিডল ইস্ট সায়েন্টিফিক অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ সেন্টারের উপপরিচালক হাসান আহমাদিয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর ঘাঁটি ও স্থাপনায় পাল্টা হামলার মাধ্যমে ইরান ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল করেছে। একই সঙ্গে সংঘাতের ক্ষেত্রে তাদের বিকল্পও সীমিত করেছে।
আহমাদিয়ানের মতে, সীমিত আকারে হামলা চালালে তার পরিণতি কী হবে, সে বিষয়ে ট্রাম্পের স্পষ্ট ধারণা নেই। এ কারণেই তার নিজের সিদ্ধান্ত গ্রহণে দ্বিধা এবং উপদেষ্টাদের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে। তিনি ইরানের কৌশলকে ‘কগনিটিভ ওয়ারফেয়ার’ বা মনস্তাত্ত্বিক-তথ্যগত যুদ্ধের কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর ভাষ্য, এই কৌশলের মাধ্যমে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে অনিশ্চয়তার মধ্যে রেখেছে। তবে আহমাদিয়ান মনে করেন, এই পরিস্থিতি মানেই যে ট্রাম্প হামলা চালাবেন না, তা নয়। বরং হামলা চালালে তার পরিণতি কী হবে এবং তা থেকে সম্মানজনকভাবে বেরিয়ে আসার সুযোগ থাকবে কি-না, সেটি নিশ্চিত হতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে সেন্টকম?
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের বরাত দিয়ে আল-জাজিরা জানিয়েছে, ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে সেন্টকম। ওয়াশিংটনের নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে মার্কিন সামরিক কমান্ড। অন্যদিকে, ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালালে আগের চেয়ে আরও ব্যাপক পরিসরে পাল্টা আঘাত হানা হবে।
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডারের সুপ্রিম অ্যাডভাইজারের এক মুখপাত্র বৃহস্পতিবার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলায় সহায়তাকারী যেকোনো দেশ বা শক্তি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। এর আগে ইরান সতর্ক করেছিল, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের কেবল সামরিক ঘাঁটি নয়, যোগাযোগের সাবমেরিন কেবল, ডেটা সেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-সংশ্লিষ্ট স্থাপনাও হামলার লক্ষ্য হতে পারে।
কাতারের মধ্যস্থতায় নতুন প্রস্তাব
সামরিক হুমকি ও পাল্টা হুঁশিয়ারির মধ্যেও কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন পারমাণবিক ও শান্তি প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন তেহরানের সাতটি দাবি পূরণ করলেই কেবল প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনা এগোবে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে।
সাবেক ইরানি কূটনীতিক হাদি আফগাহি আল-জাজিরাকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র নমনীয় অবস্থান নিলে সমঝোতার পথ সহজ হতে পারে। তার মতে- ট্রাম্প নতুন করে যুদ্ধে জড়াতে চান না, কারণ আরেকটি যুদ্ধ তার জন্য আরও বেশি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যয় তৈরি করবে। তবে আফগাহি সতর্ক করেছেন, ট্রাম্পের আশপাশে এখনো একদল কঠোর অবস্থানপন্থি উপদেষ্টা রয়েছেন। শুক্রবার অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জাসিম আল থানি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে সমঝোতার জন্য ‘নিখুঁত মুহূর্তের’ অপেক্ষা না করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সামনে কোন পথে যাবে সংঘাত?
বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে তিনটি সম্ভাব্য পথ রয়েছে- নতুন করে বড় সামরিক অভিযান, নিষেধাজ্ঞা ও নৌ অবরোধের মাধ্যমে চাপ অব্যাহত রাখা অথবা কূটনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছানো। নতুন হামলা হলে ইরান আরও বিস্তৃত পাল্টা আঘাতের হুমকি দিয়েছে। আর সমঝোতার জন্য তেহরানের শর্ত মেনে নেওয়া ট্রাম্পের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অবস্থানের জন্য কঠিন হতে পারে।
সব মিলিয়ে ট্রাম্প এমন এক পরিস্থিতিতে পড়েছেন, যেখানে সামরিক পদক্ষেপের ঝুঁকি যেমন বড়, তেমনি আলোচনায় ছাড় দেওয়ার রাজনৈতিক মূল্যও কম নয়। কাতারের মধ্যস্থতা তাই আপাতত যুদ্ধের বিস্তার ঠেকানোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পথ হয়ে উঠেছে।
সূত্র: আলজাজিরা, রয়টার্স, অ্যাক্সিওস, দ্য টাইমস, এপি
নতুন ‘ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র নগরী’ উন্মোচনের ঘোষণা ইরানের
কংগ্রেস কীভাবে ট্রাম্পের ক্ষমতায় লাগাম টানবে?
স্ত্রী যদি স্বামীর পাশে না দাঁড়ান, নতুন কাউকে খুঁজুন: কেটি মিলার
চীনা গুপ্তচরের সঙ্গে এনভিডিয়া প্রধানের প্রেমের সম্পর্ক!
মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর মার্কিন বিচার বিভাগে পদত্যাগের হিড়িক
ইরানে নতুন হামলা নিয়ে ট্রাম্প শিবিরে বিভক্তি, কূটনৈতিক তৎপরতায় কাতার
মক্কা-মদিনার পবিত্রতা লঙ্ঘনের অভিযোগ, হুথিদের হামলার নিন্দা মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগের