পবিত্র হজ মৌসুম ২০২৬-কে সামনে রেখে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্বজুড়ে হজযাত্রীদের জন্য ভিসা ইস্যু শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সৌদি কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হজের মূল আনুষ্ঠানিকতার প্রায় চার মাস আগেই ভিসা কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’-এর অংশ হিসেবে হজযাত্রীদের সেবা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতেই এই আগাম প্রস্তুতি।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হজের পবিত্র স্থানগুলোতে প্রয়োজনীয় সেবার শতভাগ চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ‘নুসুক’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মক্কার আবাসন ব্যবস্থাও চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ বছর এখন পর্যন্ত প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমের হজযাত্রীদের সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় টিকা গ্রহণ করতে হবে। এরপর স্বাস্থ্য পরীক্ষার 'ফিটনেস সনদ' নিয়ে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চের মধ্যে ভিসার জন্য আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানিয়েছে, চলতি বছর ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো হজযাত্রীকে হজে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। তাই ২০ মার্চের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে নিবন্ধিত প্রবাসী ও দেশের সকল হজযাত্রীদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। এই লক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে হজের প্রথম ফ্লাইট শুরু হবে আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে। আন্তর্জাতিক হজযাত্রীদের জন্য ইতোমধ্যে পবিত্র স্থানগুলোতে ৪৮৫টি ক্যাম্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং ৭৩টি হজবিষয়ক দপ্তর তাদের প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন করেছে।
সৌদিতে ৫ শতাধিক হজযাত্রী আটক
১৮০০ বিদেশি ওমরাহ এজেন্সির চুক্তি স্থগিত করলো সৌদি
