সৌদিতে বিশাল সোনার খনির সন্ধান, আবিষ্কার হলো কীভাবে?

আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি ‘মাদেন’ (Maaden) দেশটির চারটি খনি এলাকায় নতুন করে ৭৮ লাখ আউন্স (প্রায় ২ লাখ ২১ হাজার কেজি) সোনার মজুদের সন্ধান পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

এই আবিষ্কার দেশটির অভ্যন্তরীণ খনিজ সম্পদ সম্প্রসারণ এবং বিশ্বমানের সোনা শিল্প গড়ে তোলার লক্ষ্যকে আরও ত্বরান্বিত করবে। মাদেন জানিয়েছে, তাদের পরিকল্পিত ড্রিলিং বা খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই সাফল্য এসেছে-

১. মানসুরা মাসারাহ (Mansourah Massarah): এখানে গত বছরের তুলনায় সর্বোচ্চ ৩০ লাখ আউন্স মজুদ বেড়েছে।
২. ওয়াদি আল জাও (Wadi Al Jaww): নব আবিষ্কৃত এই খনিতে প্রথমবারের মতো ৩০.৮ লাখ আউন্স সোনার মজুদ নিশ্চিত করা হয়েছে।
৩. উরুক ২০/২১ এবং উম্ম আস সালাম: এই দুই প্রকল্প থেকে যুক্ত হয়েছে ১৬.৭ লাখ আউন্স সোনা।

মাদেনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বব উইল্ট বলেন, ‘এই ফলাফল প্রমাণ করে যে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল মাঠপর্যায়ে সফলভাবে কাজ করছে। ঠিক এ কারণেই আমরা সৌদি আরবের সোনা ভাণ্ডারে বড় ধরনের বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছি। আমাদের সম্পদের পরিমাণ বাড়ছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের আয় বাড়াতে সরাসরি ভূমিকা রাখবে।’

২০২৬ সালের এই অনুসন্ধান কর্মসূচিতে মধ্য সৌদি আরবের সোনাসমৃদ্ধ অঞ্চলগুলোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। 

বব উইল্ট আরও জানান,

সোনার পাশাপাশি তামা ও নিকেলের প্রাথমিক অনুসন্ধানেও তারা ইতিবাচক ইঙ্গিত পাচ্ছেন। অ্যারাবিয়ান শিল্ড অঞ্চলে তামা ও নিকেলের মতো বিভিন্ন খনিজ সম্পদের একটি শক্তিশালী পোর্টফোলিও গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মাদেনের সবচেয়ে বড় প্রকল্প ‘মানসুরা মাসারাহ’-তে বর্তমানে মোট ১ কোটি ৪ লাখ আউন্স সোনার মজুদ রয়েছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, খনিটির গভীর স্তরে আরও খনিজ আকরিক পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ২০২৬ সালজুড়ে সেখানে ড্রিলিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সূত্র: গালফ নিউজ

DR/AHA
আরও পড়ুন