নীরব এক রাতের মধ্যে ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলোকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে অন্তত ১০০টিরও বেশি রাশিয়ান ড্রোনের আক্রমণের। কখনো কখনো এই সংখ্যা দ্বিগুণ, ত্রিগুণ বা চতুর্গুণ হয়ে যায়। এতে যোগ হয় ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। গত চার বছর ধরে কিয়েভকে যেসব দূরপাল্লার অস্ত্রের সঙ্গে মোকাবেলা করতে হয়েছে, তা আজ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোরও সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, ইরানি ড্রোন হামলার কারণে।
সুযোগ বুঝে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মধ্যপ্রাচ্যের সরকারগুলোকে ড্রোন প্রতিরক্ষা কৌশল শিখাচ্ছেন। শনিবার কাতারে তিনি একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। এতে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, যৌথ বিনিয়োগ এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও মানববিহীন বিমান ব্যবস্থায় অভিজ্ঞতা বিনিময় অন্তর্ভুক্ত।
যুদ্ধকালীন সময়ে প্রায় ২০০ ইউক্রেনীয় বিশেষজ্ঞ সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতে গিয়েছেন ড্রোন মোকাবেলার কৌশল শিখানোর জন্য। অনেক দেশই ইরানের শাহেদ ড্রোনের সঙ্গে তুলনামূলকভাবে প্রস্তুত ছিল না। শনিবার (২৮ মার্চ) ইরান দাবি করেছে, তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি ডিপোতে হামলা চালিয়েছে যেখানে ইউক্রেনীয় ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাখা ছিল। কিয়েভ এটিকে 'মিথ্যা' বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
শাহেদ-১৩৬ ড্রোন সস্তা, সহজে পরিবহনযোগ্য, ট্রাক-মাউন্টেড সিস্টেম থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য। দৈর্ঘ্য ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট, ঘণ্টায় ১১৫ মাইল বেগে উড়তে পারে। জিপিএস ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছে দেয় ৪০ কেজির যুদ্ধসামগ্রী।
বেশিরভাগ দিক থেকে এগুলো মৌলিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মতো হলেও, ব্যয় অনেক কম। প্রায় ৩০,০০০ থেকে ৫০,০০০ মার্কিন ডলার। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা মনে করেন, যুদ্ধের শুরুতে গালফের দেশগুলো প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছিল, যার খরচ শাহেদ ড্রোনের তুলনায় ২০ গুণ বেশি।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ
রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনকে ‘পলাতক’ ঘোষণা করলো ইরান
ইসরায়েলে ইরান ও হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের শিল্পাঞ্চলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
