কুয়েতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। আবুধাবির ভাষ্য, এ হামলা কুয়েতের সার্বভৌমত্বের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং দেশটির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর হুমকি।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কুয়েতের ওপর ইরানি হামলার তীব্র নিন্দা জানায়। একই সঙ্গে কুয়েতের পাশে থাকার পাশাপাশি দেশটির প্রতি পূর্ণ সংহতি ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে আবুধাবি।
কুয়েতি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে। হামলা প্রতিহত করতে সক্রিয় হয়ে ওঠে কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। একই সময়ে বাহরাইন ও জর্ডানও ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছে।
তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার কারণে কুয়েতসহ কয়েকটি দেশে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে এসব পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনী কুয়েত, বাহরাইন, জর্ডান ও ইরাকে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু করার কথা জানিয়েছে।
এর আগে ইরানের সামরিক স্থাপনা এবং হরমুজ প্রণালিসংলগ্ন বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এর পরই পাল্টা জবাব হিসেবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে। পাল্টাপাল্টি এই হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার পাশাপাশি উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।
বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত আরও জানিয়েছে, কুয়েতের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতার প্রতি আবুধাবির সমর্থন অবিচল। একই সঙ্গে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে আন্তর্জাতিক আইন ও রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান দেখানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে দেশটি।
কুয়েতে ইরানি হামলার ঘটনায় উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সামরিক স্থাপনা থাকায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের সরাসরি সংঘাত এখন প্রতিবেশী দেশগুলোকেও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
হরমুজে একদিনে ৬০ লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন হামলা
বিয়ের অনুষ্ঠানে আঘাত হানা বোমাটি যুক্তরাষ্ট্রের: সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা
আব্রাহাম লিংকনের দশা দেখে থাইল্যান্ডবাসী হতাশ