যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের মধ্যে ইরানজুড়ে টানা ২০০ রাতের জনসমাবেশের প্রশংসা করেছেন দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল শেকারচি। তিনি বলেছেন, দেশের প্রতি হুমকি মোকাবিলা ও জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর সবচেয়ে বড় শক্তি ও প্রেরণা হচ্ছে জনগণের উপস্থিতি ও সমর্থন।
২০০তম রাতের জনসমাবেশ উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় শেকারচি বলেন, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসন শুরুর পর থেকে টানা ২০০ রাত ধরে মানুষ রাজপথে সমবেত হয়ে শত্রুর হিসাব-নিকাশকে ব্যাহত করেছে।
তিনি বলেন, ইরানের ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, দেশের প্রকৃত শক্তি ও শক্তিশালী, অজেয় সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা শুধু সামরিক সরঞ্জাম বা অস্ত্রের ওপর নির্ভরশীল নয়। বরং জনগণের অবিচল সমর্থনের ওপরই এই শক্তি গভীরভাবে প্রতিষ্ঠিত।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর এই মুখপাত্র বলেন, দেশের সামরিক কমান্ডার ও বাহিনীর সদস্যরা জনগণের উপস্থিতিকে জাতীয় স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সম্পদ ও প্রেরণার উৎস হিসেবে বিবেচনা করেন। জনগণের এই ধারাবাহিক উপস্থিতি শত্রুর পরিকল্পনা ও হিসাবকে ব্যাহত করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
শেকারচি আরও বলেন, টানা এই জনসমাগমের মধ্য দিয়ে ইরানের জনগণ প্রমাণ করেছে, উম্মাহ ও বেলায়াতে ফকিহের মধ্যকার বন্ধন অটুট ও চিরস্থায়ী। তার ভাষ্য, জনগণের এই নজিরবিহীন দৃঢ়তা দেশের প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তাদের অবস্থানও স্পষ্ট করেছে।
সোর্সের বর্ণনা অনুযায়ী, মার্চের শুরু থেকে ইরানের বড় শহর ও গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন প্রদেশে সূর্যাস্তের পর নিয়মিতভাবে জনসমাবেশ হয়ে আসছে। এসব সমাবেশে মানুষ শহীদদের স্মরণে মোমবাতি জ্বালানো, জাতীয় পতাকা ওড়ানো এবং বিভিন্ন স্লোগান দেওয়ার মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি সংহতি প্রকাশ করছে। সূত্র: মেহর নিউজ এজেন্সি
যুদ্ধ প্রমাণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পরাশক্তি নয়: আকরামিনিয়া
ইসলামি শাসনব্যবস্থার প্রতি ইরানের জনসমর্থনের প্রশংসা রেজাইয়ের
ইরানের হাতে আরও এক ‘ট্রাম্প কার্ড’