ইরান নিয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য তেহরানের কৌশলগত হিসাব-নিকাশে বিঘ্ন ঘটানোর পরিকল্পনার অংশ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের এক আইনপ্রণেতা। তাঁর মতে, এসব বক্তব্যের পেছনে মার্কিন প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ থাকতে পারে, আবার ইরানকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যও থাকতে পারে।
ইরানের পার্লামেন্টের প্রেসিডিয়াম বোর্ডের সদস্য আব্বাস গুদারজি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বক্তব্যে যে অসংগতি দেখা যাচ্ছে, তা ইরানি কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় অনিশ্চয়তা তৈরির কৌশলও হতে পারে।
তিনি বলেন, “এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ইরানি কর্মকর্তাদের হিসাব-নিকাশে বিঘ্ন ঘটানোর কৌশলের অংশ হতে পারে।”
গুদারজি আরও বলেন, শত্রুপক্ষের সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে ইরানকে তার প্রতিরক্ষামূলক প্রতিরোধক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে হবে। তাঁর মতে, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ও পাল্টা জবাব দেওয়ার সক্ষমতা সম্ভাব্য হামলাকারীদের নিরুৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ইরানি এই আইনপ্রণেতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হামলা চালিয়ে দ্রুত সরে পড়ার দিন শেষ হয়ে গেছে। ইরানের ওপর যেকোনো হামলার জবাব দেওয়া হবে এবং সেই জবাব হবে হামলার তুলনায় কয়েক গুণ বেশি শক্তিশালী।
তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যে অসংগতি ইচ্ছাকৃত কৌশল, নাকি প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যের প্রতিফলন—এ বিষয়ে গুদারজির বক্তব্যের বাইরে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। তাঁর মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান প্রতিরোধক্ষমতা জোরদার ও সম্ভাব্য হামলার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তুলে ধরতে চাইছে।
দিল্লির আন্দোলনেও ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’
মক্কা-মদিনা আক্রান্ত হলে কোন আপস নয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
শীত আসছে, গাজায় আশ্রয়হীন প্রায় ২০ লাখ মানুষ: আইওএম