প্রশান্ত মহাসাগরে ৩ নৌযানে মার্কিন হামলা, নিহত ৮

আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:১৫ পিএম

ভেনেজুয়েলার সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বাঞ্চলে তিনটি নৌযানে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। আন্তর্জাতিক জলসীমায় চালানো এই অভিযানে অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছেন। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) ও সাউদার্ন কমান্ডের পক্ষ থেকে এই হামলার তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) মার্কিন সমরমন্ত্রী (প্রতিরক্ষামন্ত্রী) পিট হেগসেথের সরাসরি নির্দেশে এই হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড সাউথকম।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে সাউথকম জানায়, আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবস্থানরত সন্দেহভাজন তিনটি নৌযান লক্ষ্য করে এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

মার্কিন বাহিনীর দাবি, নিহতরা মাদক পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে এই দাবির সপক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা নথি প্রকাশ করেনি ওয়াশিংটন।

লাতিন আমেরিকার জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের এমন হামলার মধ্যেই ভেনেজুয়েলার কাছাকাছি অঞ্চলে মার্কিন বিমান ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে ক্যারিবীয় দেশ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো। আগামী কয়েক সপ্তাহের জন্য মার্কিন সামরিক বিমানের ব্যবহারে নিজেদের বিমানবন্দর খুলে দিচ্ছে দেশটি। 
  
এর আগে সোমবার মাদুরো দাবি করেন, ভেনেজুয়েলা থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ক্যারিবীয় দেশটিও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দের ঘটনায় জড়িত।

এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা আরও এক বছর নবায়নের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে ভেনেজুয়েলা। এটিকে একতরফা পদক্ষেপ, বেআইনি এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি উল্লেখ করে সংস্থাটির তীব্র সমালোচনা করেছে ভেনেজুয়েলার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
 
এক বিবৃতিতে ব্রাসেলসের এই সিদ্ধান্ত ইইউর ‘দিকভ্রান্ত পররাষ্ট্রনীতির প্রতিফলন’ বলেও জানায় কারাকাস। এমনকি ইইউ নেতারা ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে অযৌক্তিক শত্রুতার পথে হেঁটে নিজেদের রাজনৈতিক পতনকেই ডেকে আনছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো।

NB/FJ
আরও পড়ুন