সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার নথি হ্যাকিংয়ের দায়ে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের তিন সদস্যকে অভিযুক্ত করছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। সেই সঙ্গে আগামী ৫ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ভণ্ডুল করার অভিযোগও উঠেছে। খবর রয়টার্সের।
তবে ইরানের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তেহেরান। বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেশটি এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করায় ইরানের বিরুদ্ধে বাইডেন প্রশাসন এ পদক্ষেপ নিয়েছেন। আগামী ৫ নভেম্বরের নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের হয়ে লড়াই করবেন ট্রাম্প এবং তার বিরোধী প্রার্থী হলেন ডেমোক্রেটি দলের কমলা হ্যারিস।
শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) মার্কিন অ্যান্টর্নি জেনারেল মেরিক গারল্যান্ড এক নিউজ কনফারেন্সে বলেন, অভিযুক্ত ওই তিন ব্যক্তি হলেন- মাসুদ জলিলি, সায়েদ আলী আগহামিরি এবং ইয়াসির বালাগি। এই তিন ব্যক্তি ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারে হস্তক্ষেপ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা প্রত্যক্ষ করেছি নভেম্বরের নির্বাচন ঘিরে ইরান তাদের সাইবার কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই তিন ব্যক্তি ভুয়া ইমেইল ব্যবহার করে ট্রাম্পের ক্যাম্পেইন প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং বুঝাতে সক্ষম হন যে তারা একটি বিশ্বস্ত সূত্র। এরপরই ইমেইলে একাধিক লিংক পাঠিয়ে নির্বাচনী প্রচারণতে হস্তক্ষেপ করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, জালিয়াতির ঘটনায় ওই তিন ব্যক্তিসহ ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের আরও অনেক সদস্যের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
ট্রাম্পের নির্বাচনী ক্যাম্পেইন গত আগস্টে জানায়, ইরান হ্যাকিং কার্যক্রম চালিয়েছে সত্য কিন্তু তারা গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়নি।
মার্কিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তারের আগেই নিজ দেশে চলে গেছেন অভিযুক্ত ওই তিন ব্যক্তি। তবে বিচারক গারল্যান্ড বলেছেন, তাদেরকে না পাওয়া গেলেও দীর্ঘ অভিযানের পর অন্যান্য আন্তর্জাতিক অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
