দীর্ঘ প্রচেষ্টা, মধ্যস্থতা এবং কূটনৈতিক তৎপরতার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে মুখোমুখি বসাতে সক্ষম হলেও, কোনো চুক্তি ছাড়াই আলোচনা শেষ হওয়াটা অনেকের কাছেই বিস্ময়কর মনে হচ্ছে। তবে ইসলামাবাদ এই অচলাবস্থাকে আলোচনার শেষ হিসেবে দেখছে না। পাকিস্তানের উচ্চপদস্থ কূটনীতিকদের মতে, যোগাযোগের পথগুলো এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি।
পাকিস্তানের একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক জানান, যদিও মার্কিন-ইরান শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি, তবুও এটি একটি সুযোগ তৈরি করেছে। পাকিস্তান এখন এই সংঘাতের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত আঞ্চলিক দেশগুলোকে ইরানের সাথে এক টেবিলে বসিয়ে পারস্পরিক বিরোধ মেটানোর উদ্যোগ নিতে চাইছে। এই অর্থে, যোগাযোগের যে সুতোটি তৈরি হয়েছে, পাকিস্তান চায় না সেটি ছিঁড়ে যাক।
আলোচনা চলাকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন, লেবাননসহ ইরানপন্থী হুতি এবং ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে। তবে পাকিস্তানি কূটনীতিকদের দাবি, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বৈরুতে নির্বিচারে বোমাবর্ষণ করে এই সংবেদনশীল আলোচনার পরিবেশ নষ্ট করেছেন। ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
এদিকে, মার্কিন প্রতিনিধি দল নিয়ে বিমানটি ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যেই জানিয়েছেন, ইরান চুক্তিতে আসুক বা না আসুক, তার কিছু যায়-আসে না। তবে পাকিস্তানের লক্ষ্য এখন আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য পর্দার আড়ালে কূটনীতি চালিয়ে যাওয়া।
ইরান যুদ্ধের ফলে অস্তিত্ব সংকটে ন্যাটো
