ঢাকা-৮ আসনে গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী মেঘনা আলম বলেছেন, ভোটে জয়ী হওয়াই একমাত্র বিজয় নয়; যে আসনে নারীরা ভয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে চান না, সেখানে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াতে পারাটাই তার জন্য বড় অর্জন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মেঘনা আলম বলেন, ‘আমি গতকাল থানায় গিয়েছিলাম খোঁজ-খবর নিতে। আমাকে বারবার গানম্যান দেওয়ার কথা বলেও দেওয়া হয়নি। যদিও তারা আমি যখনই প্রচারণায় বের হয়েছি, তখনই আমাকে নিরাপত্তা দিয়ছেন। কিন্তু স্থায়ীভাবে কেন গানম্যান দেয়া হলো না কেন, সেটি জানতে গিয়েছিলাম।’
তিনি বলেন, ‘তারা শুরু থেকে আমাকে জানিয়ে আসছিলেন যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি আদেশের জন্য এটি আটকে আছে। তাহলে গতকাল পর্যন্ত আমাকে কেন গানম্যান দেয়া হলো না।’
গণঅধিকার পরিষদের এই নেত্রী বলেন, ‘ইলেকশন প্রার্থী হলে নিরাপত্তার স্বার্থে গানম্যান পাওয়া, এটি তো আমার নাগরিক অধিকার। কিন্তু, যখন আমাকে গানম্যান দেয়ার সময় আসলো, তখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আমার কাগজটা ইস্যু করতে পারছে না। আর যে এজেন্সিগুলো গানম্যান দেয়, তারা কাগজের অভাবে দিতে পারছে না। তাহলে আমরা যেটি দেখলাম- যাদের কাছে মানি আছে, মাসেল পাওয়ার আছে, ক্ষমতা আছে, তাদের জন্য গানম্যান পাওয়া কোন বিষয় না।’
তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমি বৈধভাবে একজন এমপি প্রার্থী, সেহেতু আমার যে সম্মানটা পাওয়া দরকার, সেটি আমার নাগরিক অধিকার। কোন এক বিদেশিকে খুশি করতে তারা যদি এটি না দিয়ে থাকে, সেটি আসলে দেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের জন্য খুবই দুঃখজনক।’
মেঘনা আলম আরো বলেন, ইলেকশন কমিশনের নিজেদেরই উচিত স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করা। যদি তাদের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তাহলে জনগণের কাছে ভূল বার্তা যায়। প্রার্থী হিসেবে যে প্রচারণা করা যায়, মেঘনা আলম সেখানে ১০ শতাংশের মধ্যে ২ শতাংশও করেনি। কিন্তু, অনেকে কত কত সীমা লঙ্ঘন করেছে।
তিনি বলেন, ‘আজ আমি যে আসনে ভোট দিয়েছি, এখানে আমি পড়াশুনা করেছি। যেই স্কুলের মাঠে আমি খেলাধুলা করেছি, সেই জায়গায় ভোট দিতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। প্রথমবার নির্বাচনে দাঁড়িয়ে আমি সম্মানিত বোধ করছি।’
আব্বাসের আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, এগিয়ে পাটোওয়ারী
ঢাকা-১১ আসনে এক কেন্দ্রে এগিয়ে নাহিদ ইসলাম
