ইরানের সাইবার হামলায় ইসরায়েলের সম্পূর্ণ রেলওয়ে ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রুশ বার্তা সংস্থা তাস এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যেই এই সাইবার হামলার পাশাপাশি পারস্য উপসাগর ও ইরাক উপকূলে একাধিক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ইরানি সংবাদ সংস্থা ফার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ইসরায়েলের রেলওয়ে নেটওয়ার্ক হ্যাক করা হয়েছে। সাইবার হামলার ফলে শত্রুপক্ষের পুরো রেল ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনো রেলস্টেশনই নিরাপদ নয় বলে সতর্ক করা হয়েছে।’ তবে এই বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
রেল ব্যবস্থায় হামলার খবরের পাশাপাশি সমুদ্রপথেও অস্থিরতা শুরু হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) রাত দেড়টার দিকে ইরাক উপকূল থেকে ৫ নটিক্যাল মাইল দূরে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল আঘাত হানে। ব্রিটিশ সংস্থা ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, হামলার পর উভয় জাহাজে আগুন ধরে যায়। ইরাকি সংবাদ সংস্থার তথ্যমতে, ৩৮ জন নাবিককে উদ্ধার করা হলেও এই ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। নিরাপত্তার খাতিরে ইরাকের তেল টার্মিনালগুলোর কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
উত্তেজনার এখানেই শেষ নয়। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূল ও হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি একটি কনটেইনার জাহাজেও অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল আঘাত হেনেছে। এই হামলায় জাহাজে আগুন লেগে গেলেও ক্রু সদস্যরা নিরাপদ আছেন বলে জানিয়েছে ইউকেএমটিও।
পরপর এসব সাইবার হামলা ও বাণিজ্যিক জাহাজে আক্রমণের ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি চরম হুমকির মুখে পড়েছে। এই হামলার পেছনে কারা রয়েছে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
ইরানের বিমানঘাঁটিতে হামলার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে সেন্টকম
ট্রাম্পের নিশানায় ভারত ও বাংলাদেশসহ ১৬ দেশ
