ফ্রিল্যান্সিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশনের আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব

আপডেট : ১১ জুন ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম

কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে সব ধরনের ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ওপর থেকে কর প্রত্যাহার এবং কনটেন্ট ক্রিয়েশন থেকে অর্জিত আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় তিনি এ প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেটের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কর্মসংস্থান। করনীতিকে এমনভাবে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে নতুন ব্যবসা, নতুন ধারণা এবং নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসতে পারেন। বর্তমানে তরুণ, নারী, প্রতিবন্ধী ও উদ্ভাবনী উদ্যোক্তাদের সহায়তায় শুধু আইটি ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ওপর কর অব্যাহতি সুবিধা রয়েছে।

তিনি বলেন, এ সুবিধা সম্প্রসারণ করে সব ধরনের ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ক্ষেত্রে কর অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে ফ্রিল্যান্সাররা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে আয় আনতে আরও উৎসাহিত হবেন।

তরুণদের উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডে উৎসাহ জোগাতে সব ধরনের কনটেন্ট ক্রিয়েশন থেকে অর্জিত আয় করমুক্ত করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। পাশাপাশি স্টার্টআপ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসার ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স শূন্য শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, এসএমই উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার এবং নারী ও প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার থেকে অর্জিত আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে স্থাপিত যেকোনো উৎপাদনমুখী শিল্প, পর্যটন বা ক্রীড়াক্ষেত্র-সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ও যন্ত্রপাতিতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ত্বরান্বিত অবচয় (Accelerated Depreciation) সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ সুবিধার আওতায় প্রথম বছরে ৬০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় বছরে ৪০ শতাংশ হারে অবচয় সুবিধা পাওয়া যাবে।

AM/AHA
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত