ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি কঠোর সতর্কবার্তায় ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপারকে জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিলে তাকে ‘আগ্রাসনে সরাসরি অংশগ্রহণ’ হিসেবে গণ্য করবে ইরান।
নিজের অফিসিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আরাগচি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাজ্যের এই ধরনের পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্কের ইতিহাসে আগ্রাসন হিসেবে নথিবদ্ধ থাকবে এবং ইরান তার সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষায় আত্মরক্ষার সহজাত অধিকার প্রয়োগ করবে।
তিনি অভিযোগ করেন, যখন কূটনৈতিক আলোচনা চলছিল, ঠিক তখনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এই যুদ্ধ শুরু করেছে। একই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের এই ঘটনার বিপরীতে ব্রিটেন ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলোর ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানান।
আরাগচি জাতিসংঘ সনদের আওতায় ইরানের আত্মরক্ষার অধিকারের বিষয়টি উল্লেখ করে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ইরানের মিনাবে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে সংঘটিত ‘কায়রোভিত্তিক’ বোমা হামলার প্রসঙ্গটি তুলে ধরেন। ওই হামলায় ১৬৫ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন, যাদের বেশিরভাগই ছিল শিশু। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো প্রমাণ ছাড়াই এই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে পেন্টাগনের চলমান তদন্তে বেরিয়ে এসেছে যে ওই হামলাটি মার্কিন সামরিক বাহিনী কর্তৃক নিক্ষেপ করা একটি ‘টমাহক’ মিসাইলের মাধ্যমে চালানো হয়েছিল।
আরাগচির এই কড়া বার্তার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ইরানি তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
