ইরান যুদ্ধের ভয়াবহ প্রভাবে বিপর্যস্ত দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতি। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিজের পূর্বনির্ধারিত চীন সফর বাতিল করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সিওক। স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, এই মুহূর্তে বিদেশ সফরের চেয়ে দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং জ্বালানি সংকটের সমাধান করাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন তিনি।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং। তিনি ঘোষণা করেছেন, জাতীয় জ্বালানি সাশ্রয় অভিযানের অংশ হিসেবে এখন থেকে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে গাড়ির ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হবে। এছাড়া জ্বালানি সংকটের নেতিবাচক প্রভাব কাটিয়ে উঠতে একটি সম্পূরক বাজেট পাসের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
দক্ষিণ কোরিয়া তাদের প্রয়োজনীয় খনিজ তেলের ৭০ শতাংশেরই বেশি মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে। ফলে যুদ্ধের কারণে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশটি চরম বিপাকে পড়েছে। সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সিউল প্রশাসন গত ৩০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো জ্বালানি তেলের ওপর ‘প্রাইস ক্যাপ’ বা সর্বোচ্চ মূল্যসীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। মূলত মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা

