ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিখোঁজ ৭০ অভিবাসনপ্রত্যাশী

আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২২ এএম

ইউরোপের উন্নত জীবনের সন্ধানে উত্তাল ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে আবারও বড় ধরণের নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। লিবিয়া উপকূল থেকে ইতালি যাওয়ার পথে একটি কাঠের তৈরি নৌযান ডুবে অন্তত ৭০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ হয়েছেন। 

রোববার (২৯ মার্চ) ইতালীয় এনজিও সংস্থা ‘মেডিটেরেনিয়া সেভিং হিউম্যান’ এই মর্মান্তিক তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সংস্থাটির পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) জানানো হয়, গত শনিবার বিকেলে লিবিয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন ভূমধ্যসাগরের ‘সার্চ অ্যান্ড রেস্কিউ’ এলাকায় নৌযানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। নৌযানটি লিবিয়ার উপকূলীয় শহর তাজাউর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। লিবিয়ার তেলের খনি ‘বৌরি অয়েল ফিল্ড’ থেকে প্রায় ১৪ নটিক্যাল মাইল উত্তর-পূর্বে এটি সাগরে তলিয়ে যায়।

দুর্ঘটনাগ্রস্ত ওই নৌযান থেকে এখন পর্যন্ত ৩৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং ২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের এবং মরদেহ দুটিকে ইতালির দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ ল্যাম্পেদুসায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এনজিওটি জানিয়েছে, নৌকাটিতে শিশু, নারী ও পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ ছিল।

যাত্রীদের সংখ্যার বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এনজিও এমএসএইচ জানিয়েছে নৌযানটিতে ১০৫ জন যাত্রী ছিলেন। তবে ইতালির ল্যাম্পেদুসাভিত্তিক সংবাদ সংস্থা ‘আনসা নিউজ’ জীবিত যাত্রীদের বরাতে দাবি করেছে যে, নৌযানটিতে মোট ১৮০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী ছিলেন। সেই তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজের সংখ্যা ৮০-এর বেশি হতে পারে। কোস্ট গার্ডের টহল নৌযান আসার আগেই একটি বড় অংশ সাগরে ডুবে যায়।

এই ঘটনার পর নিখোঁজদের স্মরণে গভীর শোক প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। পাশাপাশি বিপজ্জনক এই সমুদ্রযাত্রা ঠেকাতে এবং মানুষের জীবন বাঁচাতে ইউরোপীয় দেশগুলোকে একটি নিরাপদ ও মানবিক অভিবাসন নীতি গ্রহণের জোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

 

NB
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত