ইসরায়েল অধিকৃত ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে বিভিন্ন শহর ও গ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ব্যাপক সামরিক অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এসব অভিযানে ব্যাপক ধরপাকড়, তল্লাশি এবং সংবেদনশীল এলাকায় ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের প্রবেশ নিশ্চিত করতে সামরিক তৎপরতা চালানো হয়।
মাঠপর্যায়ে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ইসরায়েলি বাহিনী পশ্চিম তীরের বেশ কিছু এলাকায় অনুপ্রবেশ করে। এর মধ্যে নাবলুসের পূর্বাঞ্চলে একটি বড় ধরনের অভিযান চালানো হয়। মূলত 'ইউসুফ নবীর সমাধি' (Prophet Joseph’s Tomb) এলাকায় ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বাসের প্রবেশ নিরাপদ করতেই এই অভিযান। এ সময় স্থানীয়দের সাথে সংঘর্ষ শুরু হলে ইসরায়েলি বাহিনী তাজা গুলি বর্ষণ করে। এছাড়া আল-বাদান সড়কে সামরিক চেকপোস্ট বসানোর ফলে স্থানীয় যানচলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটে।
এদিকে ইসরায়েলি বিশেষ বাহিনীর একটি ইউনিটের অনুপ্রবেশের খবরে শহরটিতে অভিযান চালায় সেনারা। সেখান থেকে এক ফিলিস্তিনি যুবককে গ্রেপ্তার করা হয় এবং কালকিলিয়ার দক্ষিণে রাস আতিয়া শহরেও তল্লাশি চালানো হয়। এছাড়াও শহরের পশ্চিমে অবস্থিত কাফর নিমা গ্রামেও ইসরায়েলি বাহিনী প্রবেশ করে অভিযান চালিয়েছে।
এই দফায় ধরপাকড় অভিযানে এখন পর্যন্ত এক নারীসহ মোট ২৫ জন ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানের পাশাপাশি বসতি স্থাপনকারীদের হামলার ঘটনাও ঘটেছে। ওয়াদি আব্বাস অঞ্চলে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হাতে এক ফিলিস্তিনি যুবক আহত হয়েছেন।
এছাড়াও হেবরনের কাছে এক ফিলিস্তিনি পুরুষ ও এক বালককে লক্ষ্য করে বসতি স্থাপনকারীরা ‘পিপার স্প্রে’ ছিটিয়ে আক্রমণ করে, যার ফলে তাদের চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। পুরো পশ্চিম তীর জুড়ে চলমান এই অভিযানে স্থানীয় জনমনে চরম আতঙ্ক ও অস্থিরতা বিরাজ করছে।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে চায় ইসরায়েল