সোমালিল্যান্ডে ইসরায়েলের দূত নিয়োগে বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম

সোমালিয়া থেকে পৃথক হতে চাওয়া সোমালিল্যান্ডে ইসরায়েলের দূত নিয়োগের পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, সৌদি আরবসহ ১২ মুসলিম দেশ।

অন্য দেশগুলো হলো- মিসর, সোমালিয়া, সুদান, লিবিয়া, আলজেরিয়া, ফিলিস্তিন, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া ও কুয়েত।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) এসব দেশের যৌথ বিবৃতিতে এ নিন্দা জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, এই ধরনের পদক্ষেপ ‘আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের সংবিধানের মৌলিক নীতির সরাসরি লঙ্ঘন’। একই সঙ্গে এটি বিপজ্জনক নজিরও তৈরি করছে, যা হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলের স্থিতিশীলতা দুর্বল করে দিতে পারে।

তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রগুলোর ঐক্য ক্ষুণ্ন করে বা সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ করে- এমন সব একতরফা পদক্ষেপ তারা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেন।

এর আগে গত বুধবার সোমালিল্যান্ডে তাদের প্রথম রাষ্ট্রদূত হিসেবে মাইকেল লোটেমকে নিয়োগ দেওয়ার ঘোষণা দেয় ইসরায়েল। এর পরপরই এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। 

শনিবার পাকিস্তান ও ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্স পোস্টে এক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে। এই তালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি রয়েছে সোমালিয়া, মিশর, সুদান, লিবিয়া, আলজেরিয়া, ফিলিস্তিন, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া এবং কুয়েত। 

এদিকে, দুই দিন আগে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসিও একটি পৃথক বিবৃতিতে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত নিয়োগের কড়া নিন্দা জানিয়েছিল। ওআইসির মহাসচিব সংস্থাটির পক্ষ থেকে সোমালিয়ার বৈধ সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে তারা সোমালিয়ার আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার ক্ষেত্রে সব ধরনের সহযোগিতা বজায় রাখার অঙ্গীকার করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে সোমালিয়ার সামরিক স্বৈরশাসক সিয়াদ বারের ক্ষমতাচ্যুতির পর নিজেদের স্বাধীনতা ঘোষণা করে প্রায় ৬০ লাখ জনসংখ্যা অধ্যুষিত সোমালিল্যান্ড।

YA/FJ
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত