লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর স্থল অভিযান আরও জোরদার এবং সীমানা পেরিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়ার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। বৈশ্বিক পরাশক্তি থেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশগুলো ইসরায়েলের এই আগ্রাসনকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছে।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, লেবাননে ইসরায়েল বর্তমানে যে বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি করছে, তার কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। ফরাসি প্রেসিডেন্টের এই অনড় অবস্থানের পর দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য ফ্রান্স ইতিমধ্যেই জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি জরুরি বৈঠকের অনুরোধ জানিয়েছে।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব ইভেট কুপার অবিলম্বে লেবাননে ইসরায়েলকে তাদের সমস্ত সামরিক কার্যক্রম বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইসরায়েলের এই ক্রমাগত যুদ্ধংদেহী মনোভাব ও আগ্রাসন সংকট সমাধানের জন্য "কূটনীতির সুযোগ ও পথগুলোকে নষ্ট করে দিচ্ছে।"
জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়াডেফুল ইসরায়েলের এই অগ্রযাত্রাকে "গুরুতর উদ্বেগের কারণ" বলে অভিহিত করেছেন এবং যুদ্ধরত সমস্ত পক্ষকে অবিলম্বে শত্রুতা ও সংঘাত বন্ধের তাগিদ দিয়েছেন।
অন্যদিকে, কাতার লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলা এবং দক্ষিণ লেবাননে স্থল অভিযানের বিস্তৃতির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। কাতারের পক্ষ থেকে এই সামরিক অভিযানকে একটি মারাত্মক উস্কানি এবং আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলআতি লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালামের সাথে এক ফোনালাপে কায়রোর পূর্ণ সংহতি ও সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একই সাথে তিনি লেবাননের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সমস্ত লেবানিজ ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি সেনাদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের জোরালো দাবি জানান। সূত্র: আল জাজিরা
ইরান যুদ্ধে ‘চরম বিপর্যয়ে’ যুক্তরাষ্ট্র