সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনায় প্রভাবশালী কয়েকটি পশ্চিমা দেশ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং কানাডা পৃথক বিবৃতিতে এই হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ হিসেবে আখ্যায়িত করে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আমিরাতে ইরানের হামলার কঠোর সমালোচনা করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের বিস্তার অবশ্যই বন্ধ হতে হবে। উপসাগরীয় অঞ্চলে আমাদের অংশীদারদের প্রতিরক্ষায় আমরা সমর্থন অব্যাহত রাখব।
ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে স্টারমার বলেন, দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে এই অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখা জরুরি।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেন, আরব আমিরাত ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের ভূখণ্ড রক্ষায় ফ্রান্স সব সময় পাশে থাকবে। বর্তমান সংকট সমাধানে দুটি শর্তের কথা উল্লেখ করেছেন মাখো। শর্ত দুটি হলো -
- হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করে নৌ-চলাচল স্বাভাবিক করা।
- আঞ্চলিক দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি টেকসই চুক্তি করা।
ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার প্রধান কারণ বলে উল্লেখ করে মাখোঁ।
আমিরাতে ইরানের হামলার ঘটনায় সংহতি প্রকাশ করে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এক বিবৃতিতে লেখেন, আমরা শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ এবং আমিরাতের জনগণের পাশে আছি। বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামো রক্ষায় তাদের প্রচেষ্টাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। কানাডা সরকারের পক্ষ থেকে এই অঞ্চলে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানো এবং উত্তেজনা কমানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত গতকাল সোমবার জানায়, তারা ইরান থেকে ছোড়া ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও চারটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এই হামলাকে ‘বিশ্বাসঘাতকতামূলক’ আখ্যা দিয়ে দেশটি পাল্টা জবাব দেওয়ার অধিকার রক্ষার ঘোষণা দিয়েছে। এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি ইরান। সূত্র: আলজাজিরা
আমিরাতে মার্কিন দূতাবাসের সতর্কতা জারি
যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ ডেডলকে পরিণত হয়েছে: ইরান