কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে দক্ষিণ কোরিয়া পরিচালিত একটি পণ্যবাহী জাহাজে (Bulk Carrier) ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাহাজটিকে বন্দরে ফিরিয়ে নেওয়ার পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং দুর্ঘটনার সঠিক কারণ নিশ্চিত করা হবে।
মঙ্গলবার (৫ মে) এক প্রতিবেদনে আলজাজিরা জানায়, জাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) জলসীমায় নোঙর করা অবস্থায় এর ইঞ্জিন রুমে বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন ধরে যায়। জাহাজে মোট ২৪ জন ক্রু ছিলেন (১৮ জন বিদেশি এবং ৬ জন দক্ষিণ কোরিয়)। তবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জাহাজটিকে টাগবোটের সাহায্যে দুবাই বন্দরে নিয়ে যাওয়া হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে দাবি করেছেন যে, দক্ষিণ কোরিয়ার এই কার্গো জাহাজটিতে ইরান হামলা চালিয়েছে। তবে জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান 'এইচএমএম' (HMM) এখন পর্যন্ত কোনো হামলার কথা নিশ্চিত করেনি।
এইচএমএম-এর একজন কর্মকর্তা ইয়োনহাপ নিউজকে জানিয়েছেন, এটি কোনো বাইরের হামলা ছিল না কি জাহাজের ভেতরের কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি থেকে বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এদিকে ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই এই বিস্ফোরণের খবর এলো। এর আগে আমিরাত উপকূলে আরও দুটি পণ্যবাহী জাহাজে আগুন লাগার খবর জানিয়েছিল ব্রিটিশ সামরিক বাহিনী। দক্ষিণ কোরিয়ার এই জাহাজটির তদন্ত প্রতিবেদন এই অঞ্চলের সংঘাতের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সূত্র: আলজাজিরা
আমিরাতে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করলো ইরান