মিসর ১ (৪) : ১ (২) অস্ট্রেলিয়া
পঞ্চম শটের দরকার হলো না। চতুর্থ শটেই নিস্পত্তি হলো ম্যাচের। অস্ট্রেলিয়াকে টাইব্রেকারে ৪–২ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় উঠেছে মিসর।
টাইব্রেকারে মিসরের চারজনই বল জালে পাঠিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ার দুজন বল লক্ষ্যে রাখতে পারেননি।
টাইব্রকোর
অস্ট্রেলিয়ার ১ম শট : মিস। হ্যারি শুটারের বল গেল বারের ওপর দিয়ে।
মিসরের ১ম শট : গোল। গোল করলেন মাহমুদ সাবের। মিসর ১ : ০ অস্ট্রেলিয়া।
অস্ট্রেলিয়ার ২য় শট : গোল। গোল করলেন জ্যাকসন আরবিন।
মিসরের ২য় শট : গোল। গোল করলেন রামি রাবিয়া। মিসর ২ : ১ অস্ট্রেলিয়া।
অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় শট: গোল। করেছেন আওয়ার মাবিল।
মিসরের তৃতীয় শট: গোল। সোজাসুজি শটে গোল মোহাম্মদ সালাহর। মিসর ৩ : ২ অস্ট্রেলিয়া।
অস্ট্রেলিয়ার চতুর্থ শট: মিস। বারে লেগেছে লুকাস হেরিংটনের শট।
মিসরের চতুর্থ শট: গোল। আবদেল মাগিদের শট জালে। মিসর ৪ : ২ অস্ট্রেলিয়া।
আত্মঘাতী গোল মিসরের, সমতায় অস্ট্রেলিয়া
মিসর ১-১ অস্ট্রেলিয়া
৫৫ মিনিটে মোহাম্মদ হানির করা আত্মঘাতী গোলে ম্যাচে সমতা ফেরাল অস্ট্রেলিয়া। ফ্রি–কিক থেকে উড়ে আসা বলটিকে ক্লিয়ার করতে চেয়েছিলেন হানি। কিন্তু ঠিকঠাক সংযোগে ব্যর্থ হওয়ায় বল জড়ায় নিজেদে জালে।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এগিয়ে বিরতিতে মিসর
প্রথমার্ধে এগিয়ে মিসর
মিসর ১ : ০ অস্ট্রেলিয়া
বিরতিতে মিশর ১-০ গোলে এগিয়ে। ইতিহাস গড়ার খুব কাছাকাছি তারা—বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে প্রথম জয়ের জন্য এখন তাদের সামনে আর মাত্র ৪৫ মিনিট।
১৩ মিনিটের মাথায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইমান আশুরের গোলে এগিয় গেছে মিসর।
ফ্রি-কিক থেকে দারুণ এক পরিকল্পিত আক্রমণ সাজায় মিসর। মোহাম্মদ সালাহ সরাসরি শট না নিয়ে ছোট পাস দেন ইমান আশুরকে। আশুরের প্রথম শটটি প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে ফিরে আসে।
তবে বলটি বিপদমুক্ত করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। আবারও বল ভেসে আসে বক্সে, আর পেছনের পোস্টে ওঁত পেতে থাকা আশুর এবার নিখুঁত হেডে জাল খুঁজে নেন।
মিসর এগিয়ে গেল, আর এই গোলটি নিঃসন্দেহে তাদের স্নায়ুর চাপ অনেকটাই কমিয়ে দিল।
৯২ বছর পর নকআউট পর্বে মিসর
মিসরের বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি মাত্র দ্বিতীয় নকআউট ম্যাচ। এর আগে তারা একবারই নকআউট পর্বে খেলেছিল ১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপে। সেবার অবশ্য পুরো আসরই সরাসরি নকআউট পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সেবার প্রথম রাউন্ডে হাঙ্গেরির কাছে ৪-২ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল মিসরকে। প্রায় এক শতক পর আবারও নকআউট মঞ্চে ফিরেছে তারা। এবার প্রথমবারের মতো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয়ে সেই পুরোনো হতাশার ইতিহাস বদলে দিতে চায় মিসর।
অন্য দিকে আজকের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া জিততে পারলে, ২০০২ সালে নিজেদের মাটিতে দক্ষিণ কোরিয়ার পর প্রথম এএফসি দল হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয়ের কীর্তি গড়বে তারা।
আত্মঘাতী গোল মিসরের, সমতায় অস্ট্রেলিয়া
কেপ ভার্দেকে হারালেই নতুন উচ্চতায় আর্জেন্টিনা
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এগিয়ে বিরতিতে মিসর
কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ
ঢাকায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূতের শান্তির বার্তা
ভোজিনিয়া ভেলকি বনাম 'বাজপাখি' মার্টিনেজ