ইরানের ওপর সাম্প্রতিক মার্কিন হামলায় ‘ব্যাপক প্রভাব’ পড়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তেহরানকে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, প্রয়োজন হলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
আঙ্কারায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ হামলায় ইরান পুনর্নির্মাণের চেষ্টা করা রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
শুধু তা-ই নয়, ভবিষ্যতে সংঘাত আরও বাড়ার ইঙ্গিতও দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে ইরানের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। এমনকি দেশটির সমুদ্রের পানি বিশুদ্ধকরণ বা লবণমুক্তকরণ কেন্দ্রও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আওতায় আসতে পারে।
ট্রাম্প বলেন, এসব স্থাপনায় হামলা চালাতে তিনি চান না, তবে পরিস্থিতি বাধ্য করলে যুক্তরাষ্ট্র সেই পথেও যেতে দ্বিধা করবে না।
এ সময় পারস্য উপসাগরে ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপ নিয়েও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে এবং তা ঠেকানোর মতো কিছুই ইরানের করার থাকবে না।
ট্রাম্পের এসব বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। তাঁর নতুন হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কাকে নতুন করে উসকে দিয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা
নতুন করে সংঘাতে জড়ানোয় ইরান দায়ী: জার্মানি
ট্রাম্পের শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় এরদোয়ানের সাধুবাদ
ইরান যুদ্ধে ন্যাটো মিত্রদের সমর্থন নিয়ে ট্রাম্পের সমালোচনা