বরিশাল সদর উপজেলায় সাতটি শিয়ালকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় অবশেষে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে বন বিভাগ।
বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ আইনের তোয়াক্কা না করে শিয়ালগুলোকে মারার পর মাংস রান্না করে খাওয়ার অভিযোগ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় চলছে।
দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ার পর অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২-এর অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রোববার (১২ জুলাই) বরিশাল সদর রেঞ্জের কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বাদী হয়ে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই নালিশি মামলাটি করেন।
আদালতের বিজ্ঞ বিচারক বন বিভাগের করা এই অভিযোগটি আমলে নিয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন।
চাঞ্চল্যকর এই মামলার আসামিরা হলেন—বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের ময়দানখোলা এলাকার বাসিন্দা নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ হারিস, কামাল খলিফা এবং মোহাম্মদ জামাল খলিফা।
মামলার বিবরণী ও স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, গত ২ জুলাই ময়দানখোলা এলাকায় দলবদ্ধভাবে সাতটি শিয়ালকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
নিষ্ঠুর এই ঘটনার একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।
মূলধারার গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি নিয়ে তীব্র নিন্দা ও পশুপ্রেমীসহ সচেতন নাগরিকদের প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশালের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম জানান, শিয়ালগুলোকে কুপিয়ে হত্যা করার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে শিয়ালের মাংস রেঁধে খাওয়ার যে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, তা সুনির্দিষ্ট তদন্ত ছাড়া এখনই নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
বন্যপ্রাণী আইনে মামলার খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই অভিযুক্ত চারজন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন।
সোর্স (উৎস): বন্যপ্রাণী হত্যা সংক্রান্ত ঘটনার প্রেক্ষাপটে বরিশাল সদর রেঞ্জ বন কর্মকর্তা কর্তৃক চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়েরকৃত এজাহার এবং স্থানীয় বন বিভাগের প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
মালয়েশিয়ায় বিস্ফোরণে বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধা নিহত
ভিসা ছাড়াই জার্মানি ভ্রমণের সুযোগ ৬২ দেশের নাগরিকদের
বিশ্বকাপে ব্যর্থ, মৃত্যুর হুমকিতে আত্মগোপনে ফুটবলার
বরখাস্ত হলেন সেনেগালের কোচ
সাতক্ষীরায় থানা ভবন ভাঙার সময় ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ২