সরকার ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ককে অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ক্যামেরা ও সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। প্রযুক্তিভিত্তিক এই কড়া নজরদারির মাধ্যমে মহাসড়ককেন্দ্রিক অপরাধ দমন ও যানজট নিরসনে কাজ করছে হাইওয়ে পুলিশ।
সোমবার (২০ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ফারুক আহমেদ জানান, পুরো ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সিসিটিভি এবং ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, শিগগিরই এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।
একই সাথে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের অধীনে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কেও এই প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। বর্তমানে হাইওয়ে পুলিশ কেন্দ্রীয়ভাবে এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরিচালনার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নিতে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া চলছে।
ফারুক আহমেদ জানান, পর্যায়ক্রমে দেশের সব মহাসড়কগুলোকে এই ডিজিটাল নজরদারির অধীনে আনা হবে। এর ফলে ডাকাতি, মাদক পাচার ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে পুলিশ আরও দক্ষ ভূমিকা রাখতে পারবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে দেশের মহাসড়কগুলোকে সম্পূর্ণ হয়রানিমুক্ত ও চাঁদাবাজিমুক্ত করতে পারব বলে আমি আত্মবিশ্বাসী। নির্দিষ্ট এই সময়ের পর হাইওয়ে পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের অভিযোগ থাকবে না।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ১১ জুন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত এই ইউনিটটি মাত্র ২ হাজার ৮১৪ জন জনবল নিয়ে দেশের প্রায় ১১ হাজার ৮০৬ কিলোমিটার মহাসড়কের সার্বিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নির্বিঘ্ন যানবাহন চলাচল নিশ্চিতকরণে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে সারা দেশে ৪টি বিভাগ ও ৮টি অঞ্চলের অধীন থাকা ৭৩টি হাইওয়ে থানার সেবা আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে আবু সাঈদ-মুগ্ধ-ওয়াসিমের ছবি