গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার হতদরিদ্র একটি পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিলো একটি মাটির ঘর। গত কয়েকদিন ধরে অব্যহত বর্ষনে সেই মাটির ঘরটি ধসে পড়েছে। সেই সঙ্গে ভেঙে পড়ে তার পরিবারের নিরাপদ আশ্রয়ের শেষ ভরসাটুকুও। একসময় যে ঘরটিতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে নিশ্চিন্তে রাত কাটাতেন, সেই ঘরের দেয়াল ফেটে গেছে, ছাউনি ভেঙে পড়েছে, মেঝে কাদায় পরিণত হয়েছে। এখন পরিবারটির প্রতিটি দিন কাটছে অনিশ্চয়তা, ভয় আর দুর্ভোগের আশঙ্কায়।
এমন দুর্ভোগ আর অনিশ্চয়তায় প্রতিদিন অতিবাহিত করছেন কাপাসিয়া উপজেলার টোক ইউনিয়নের বাসিন্দা মাসুম মিয়ার পরিবার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে মাসুম মিয়ার মাটির তৈরি বসতঘরের দেয়াল নরম হয়ে পড়ে। পরে ঘরের বিভিন্ন অংশ ধসে পড়ে এবং পুরো ঘরটি বসবাসের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে যায়।
তারা আরো জানায়, মাসুম মিয়া একজন স্বল্প আয়ের মানুষ। সীমিত সামর্থ্যে তিনি পরিবার চালিয়ে আসছিলেন। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগে একমাত্র বসতঘরটি ধসে পড়ায় তার পক্ষে নতুন করে ঘর নির্মাণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভাঙা দেয়াল, ধসে পড়া মাটির স্তূপ আর বৃষ্টিতে ভেজা ঘরের ধ্বংসাবশেষ যেন একটি অসহায় পরিবারের দীর্ঘদিনের সংগ্রামের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। পরিবারটির কাছে এখন সবচেয়ে বড় চিন্তা কোথায় কাটবে আগামী রাত, কোথায় মিলবে মাথা গোঁজার ঠাঁই।
মাসুম মিয়া বলেন, অনেক কষ্ট করে মাটির এই ঘরটা বানিয়েছিলাম। কয়েক দিনের বৃষ্টিতেই সব শেষ হয়ে গেল। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় থাকব, কীভাবে থাকব সেই চিন্তায় দিন কাটছে। সরকারের কাছে আমার একটাই আবেদন, যেন একটি নিরাপদ ঘর নির্মাণে সহযোগিতা করেন।
টোক ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য কবিতা আক্তার বলেন, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে মাসুম মিয়ার বসতঘরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমি সরেজমিনে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি দেখেছি। পরিবারটি অসহায় অবস্থায় রয়েছে। তাদের থাকার মতো নিরাপদ কোনো ঘর নেই। বিষয়টি যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
পিকআপচালক ইব্রাহীম হত্যা মামলার প্রধান আসামি রেহেনা গ্রেপ্তার
টঙ্গীতে চলন্ত জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসে পাথর নিক্ষেপ, শিশুসহ আহত ২
ডিবির অভিযানের তিন কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১