হরমুজ প্রণালি পুনঃউন্মুক্ত করতে ইরানের ক্ষতিপূরণ দাবির মুখে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে উপসাগরীয় দেশগুলো।
আন্তর্জাতিক জলসীমায় সাধারণ নৌ চলাচল স্বাভাবিক করার বিনিময়ে তেহরানের এমন অর্থ দাবিকে সংকট আরও ঘনীভূত করার প্রয়াস হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবদুল্লাহ বান্দার আল-এতাইবি জানান, ওমানের মধ্যস্থতায় তেহরানের এই আলোচনা মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান যুদ্ধকালীন কৌশলগত দর-কষাকষিরই অংশ।
আল-এতাইবির মতে, ইরান দাবি করছে ওয়াশিংটন পূর্বে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘন করেছে, আর সে কারণেই এই ক্ষতিপূরণের দাবি তোলা হচ্ছে। এতে করে আঞ্চলিক দেশগুলোর ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, নৌ চলাচলের স্বাধীনতার বদলে তেহরানকে এখন অর্থ দিলে ভবিষ্যতে তারা আবারও একই দাবি তুলতে পারে। এটি একটি ‘শেষ না হওয়া’ দর-কষাকষিতে রূপ নিয়ে পারস্পরিক আস্থা সম্পূর্ণ নষ্ট করতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতি উত্তরণে ওমানের মধ্যস্থতার পাশাপাশি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সরাসরি কূটনৈতিক আলোচনা দরকার। একইসঙ্গে ইরানের ফ্রিজড সম্পদ ও হরমুজ প্রণালির নৌ চলাচলের বিষয়ে সমঝোতা জরুরি।
সোর্স: আল-জাজিরা
৫ দিনের সফরে দক্ষিণ সুদান ও আবেই গেলেন সেনাপ্রধান
প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাচ্ছেন আজ
বাবা হারালেন ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসি
ডেঙ্গু দমনে অভিনব উদ্যোগ : যুক্তরাষ্ট্রে ছাড়া হবে ৬ লাখ বন্ধ্যা মশা
শেষ পর্যন্ত নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের পাশে থাকবো: পেজেশকিয়ান