যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে মশা দমনে এক বৈজ্ঞানিক ও অভিনব কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। বাড়ির আঙিনায় কামড়াতে অক্ষম লাখ লাখ পুরুষ মশা ছেড়ে পরিবেশবান্ধব উপায়ে মশার বংশবিস্তার রোখার চেষ্টা চলছে।
সংবাদ সংস্থা এএফপি’র তথ্যমতে, এসব পুরুষ মশার শরীরে ‘ওলবাকিয়া’ নামক একটি প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়া রয়েছে। এই ব্যাকটেরিয়াবাহী পুরুষ মশা সাধারণ স্ত্রী মশার সঙ্গে মিলিত হলে সেই ডিম থেকে আর নতুন মশা জন্ম নেয় না।
গ্রীষ্মের শেষ নাগাদ ওয়াশিংটনের আবাসিক অঞ্চলগুলোতে প্রায় ৬ লাখ ‘এশিয়ান টাইগার’ মশা ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ায় এ অঞ্চলে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশা বাহিত রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।
‘বি সেফ মসকুইটো কন্ট্রোল’-এর প্রতিষ্ঠাতা ৩২ বছর বয়সী টড মন্টগোমারি এই উদ্যোগ পরিচালনা করছেন। রাসায়নিক কীটনাশকের বিকল্প হিসেবে সাধারণ মানুষকে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী মশা থেকে সুরক্ষা দিতেই তার এই প্রচেষ্টা।
প্রচলিত কীটনাশক ক্ষতিকর এবং ক্যান্সার সৃষ্টিকারী বাইফেনথ্রিন ধারণ করতে পারে বলে অনেকেই এটি এড়িয়ে চলছেন। মন্টগোমারির এই ‘জ্যাপ মেলস’ সেবা গ্রহণকারী গৃহস্থরা রাসায়নিক ছাড়াই স্বস্তিতে উঠানে বা বাগানে সময় কাটাতে পারছেন।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মশা দমনে ওলবাকিয়া প্রযুক্তির সফল ব্যবহার দেখা গেছে। যেমন সিঙ্গাপুরে ‘প্রজেক্ট ওলবাকিয়া’র মাধ্যমে মশার হার এবং ডেঙ্গুর সংক্রমণ ৭০ শতাংশেরও বেশি কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
তথ্যসূত্র: এএফপি (AFP)
বাবা হারালেন ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসি
শেষ পর্যন্ত নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের পাশে থাকবো: পেজেশকিয়ান
'ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের ঘোষিত লক্ষ্য অর্জন করা কঠিন'
অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখার আহ্বান পেজেশকিয়ান
ইরানকে বিজয়ী মানলে এখনই শান্তি চুক্তি: পেজেশকিয়ান