সড়ক দুর্ঘটনায় জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অ্যাম্বুলেন্সসহ ১৮০ যান উদ্বোধন করছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্পের (বিআরএসপি) আওতায় এসব যানবাহন যুক্ত করা হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ভবনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব সেবার উদ্বোধন করা হয়।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমানো এবং দুর্ঘটনার পর উদ্ধার ও জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। দেশের প্রথম বহুখাতভিত্তিক ও ‘সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ভিত্তিক এ প্রকল্পটি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
প্রকল্পের আওতায় ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স জয়দেবপুর-হাটিকুমরুল-বগুড়া-রংপুর, হাটিকুমরুল-নাটোর-রাজশাহী এবং জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ জাতীয় মহাসড়কের মোট ৫০০ কিলোমিটার অংশে মোতায়েন করা হবে। প্রতি ১০ কিলোমিটার পরপর একটি করে অ্যাম্বুলেন্স রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ছাড়া ঢাকায় দুর্ঘটনার পর দ্রুত রোগী হাসপাতালে নেওয়ার জন্য ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স চালু করা হয়েছে। যানজটের কারণে সাধারণ অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে না পারায় এসব মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স জরুরি সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, মহাসড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশের জন্য ৮০টি টহল মোটরসাইকেল দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান ডিভিশনের পরিচালক এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চাকরির প্রলোভনে অর্থ আত্মসাৎ, ৬ জনের কারাদণ্ড
নুসরাত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা শুরু