মালয়েশিয়ায় থাকা মিয়ানমারের শরণার্থীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রথম ধাপ চূড়ান্ত করা হয়েছে। স্বেচ্ছায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর প্রথম দফায় এক হাজার ৪৭৬ জন শরণার্থীকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হবে বলে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) নিশ্চিত করেছে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মালয়েশিয়ার স্থানীয় জনগণের সাথে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বাড়তে থাকা মনস্তাত্ত্বিক উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম পূর্বেই জানিয়েছিলেন, পাঁচ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সম্মত হয়েছে।
মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রথম ধাপে ফেরত পাঠানোর জন্য মিয়ানমার সরকার কর্তৃক ১,৪৭৬ জন নাগরিককে ইতিমধ্যেই শনাক্ত করা হয়েছে। এই প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়ায় মিয়ানমার নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ এবং একটি হাসপাতাল জাহাজ ব্যবহার করা হবে।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, চলতি বছরে প্রায় ৪,০০৮ জন নাগরিককে (যার মধ্যে সিংহভাগই রোহিঙ্গা) 'রিফিউজি রেজিস্ট্রেশন ডকুমেন্ট (ডিপিপি)' কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। আর মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী অন্য ৫,০০০ জনকে স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।
গত ১৫ আগস্টের হিসাব অনুযায়ী মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারগুলোতে ১০,৩৮৮ জন মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছেন। তবে তাদের সবাই 'শরণার্থী' শ্রেণিতে পড়েন না। আটক ব্যক্তিদের পরিচয়, নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা তথ্য যাচাইয়ে পুলিশ ও অভিবাসন বিভাগ যৌথভাবে কাজ করছে, যা চলতি বছরের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হতে পারে। স্বেচ্ছায় ফিরতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের শনাক্তকরণের কাজ অব্যাহত রয়েছে বলেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়।
সূত্র: রয়টার্স
বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক ২০ কুকুরের জাত
বিক্ষোভ দমনে যুক্তরাষ্ট্রে এবার ‘ইলেক্ট্রিক শক’ গ্লাভস