নড়াইলে ১০ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকারের মামলায় মেরাজ আলী (২৫) নামে এক শিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নড়াইলের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মেরাজ আলী চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার রুদ্রপুর কালিয়াবকরি গ্রামের আমান উল্লাহ হকের ছেলে।
মামলার নথি ও এজাহার থেকে জানা যায়, গত বছরের ১০ জুলাই রাতে নড়াইল পৌরসভা এলাকার একটি মাদরাসায় ওই ছাত্রকে নিজ কক্ষে ডেকে নেন মেরাজ আলী। সেখানে তিনি শিশুটিকে যৌন নির্যাতন করেন। এ ঘটনা কাউকে জানালে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে শিশুটিকে চুপ থাকতে বলেন তিনি।
পরবর্তী সময়ে প্রায় দুই মাস ধরে ওই শিক্ষক একাধিকবার তাকে একইভাবে নির্যাতন করেছেন বলে মায়ের কাছে জানায় শিশুটি। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর মেরাজ আলী সেখান থেকে পালিয়ে যান।
পরে ১২ জুলাই স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন।
নড়াইলের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আজিবুর রহমান আজিজ বলেন, আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। আদায়কৃত জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।
জেন্ডার পরিবর্তনের স্বপ্ন, স্তন অস্ত্রোপচারের পর যুবতীর মৃত্যু
তালতলীতে সেতু ভেঙে বিচ্ছিন্ন দুই ইউনিয়ন