ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পকে ধ্বংস করা সম্ভব নয় বলে দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় বলেছে, দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্প পুরোপুরি নিজস্ব সক্ষমতার ওপর গড়ে উঠেছে এবং ইরানের তরুণ প্রজন্মের জ্ঞান, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী শক্তির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। ফলে হামলা বা চাপ দিয়ে এ শিল্পকে থামানো যাবে না।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির বরাত দিয়ে ডন জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দেশটির নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতার ওপর জোর দিয়ে বলেছে, তরুণ প্রজন্মের জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়েই এ শিল্পের বিকাশ ঘটেছে।
মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, প্রতিরক্ষা শিল্প আগের পথেই এগিয়ে যাবে, তবে ভবিষ্যতে তা হবে আরও শক্তিশালী, প্রাণবন্ত, বুদ্ধিদীপ্ত ও উন্নত। সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাত ও বিদেশি হামলার মধ্যেও দেশটির অস্ত্র উৎপাদন ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ধরে রাখার ওপর জোর দিয়েছে তেহরান।
ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় নতুন কিছু উন্নয়ন শিগগিরই সামনে আসতে পারে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় ইঙ্গিত দিয়ে বলেছে, খুব শিগগিরই এর বিশাল সক্ষমতার কেবল একটি অংশ দেখতে পাবে বিশ্ব।
ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পে ক্ষেপণাস্ত্র, সামরিক যান, রাডার, নৌযান, বিমান ও বিভিন্ন ধরনের সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা ও অস্ত্র আমদানিতে সীমাবদ্ধতার কারণে তেহরান কয়েক দশক ধরে নিজস্ব সামরিক উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে।
মন্ত্রণালয়ের এই বক্তব্য এমন সময়ে এল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতে সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে পাল্টাপাল্টি সামরিক তৎপরতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়েছে। সূত্র: ডন
হরমুজে মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন জব্দে উদ্বিগ্ন ওয়াশিংটন
ইরানের পরমাণু ইস্যু জাতিসংঘে পাঠানোর সিদ্ধান্ত ভিত্তিহীন: গারিবাবাদি
মার্কিন যুদ্ধংদেহী নীতিই বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলেছে: সাফাভি