নরসিংদীর শিবপুরে শ্বশুরবাড়িতে এসে শীতলক্ষ্যা নদীতে ডুবে জামাই, মেয়ে ও নাতিসহ চারজন নিখোঁজ হয়েছেন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নরসিংদীর শিবপুর উপজেরার চরলাখপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে শিবপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল উদ্ধার অভিযান চালালেও নিখোঁজদের উদ্ধার করা যায়নি।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন, শিবপুর চরলাখপুর এলাকার মজিবুর শেখের বড় মেয়ের জামাই ওবাইদুল্লাহ (৩৫), ছোট মেয়ে শান্তা (২২), নাতি শান্ত (১৭) ও উদ্ধার করতে যাওয়া স্থানীয় সৌরভ (১৫)।
শিবপুর ফায়ার সার্ভিস ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ওবাইদুল্লাহ তার স্ত্রী-সন্তান নিয়ে শ্বশুরবাড়ি শিবপুর উপজেরার চরলাখপুর এলাকায় মজিবুর শেখের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। তাদের সঙ্গে মজিবুর শেখের অপর দুই মেয়ে শাহিদা ও শাহিনুর তাদের সন্তানদের নিয়ে বেড়াতে আসেন। শুকবার বিকেল ৩টার দিকে ছোট মেয়ে শান্তা গোসল করতে বাড়ির পাশের শীতলক্ষ্যা নদীতে নামেন। ওইসময় তিনি নদীতে তলীয়ে যান।
তাকে উদ্ধার করতে বড় মেয়ে শাহিনুনের জামাই ওবাইদুল্লাহ ও মেজ মেয়ের ছেলে শান্ত নদীতে নামেন। ওইসময় তারাও তলীয় যান। পরে পাশের বাড়ির সৌরভসহ একাধিক ব্যক্তি নিখোঁজদের খুঁজতে নদীতে নামেন। এসময় সৌরভও নদীতে তলীয়ে যান।
খবর পেয়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে শিবপুর ফায়ার সার্ভিস ও শিবপুর থানা পুলিশ নিখোঁজদের উদ্ধার অভিযানে নামেন। রাত হয়ে যাওয়ায় নদী থেকে কাউকে উদ্ধার করা যায়নি।
এলাকার ইউপি সদস্য নাসির উদিন হাওলাদার বলেন, মুজিবর শেখের বাড়িতে তার মেয়ে, মেয়ের জামাইসহ একাধিক স্বজন বেড়াতে আসেন। বিকেলে তার ছোট মেয়ে নদীতে গোসলে গিয়ে নিখোঁজ হন। পরে একে একে বড় মেয়ের জামাই, মেজ মেয়ের ছেলে ও সৌরভ নামের স্থানীয় একজনসহ মোট চারজন নিখোঁজ হয়েছেন। অনেক চেষ্টা করেও তাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে শিবপুর ফায়ার সার্ভিসের অফিসার ইনচার্জ টিম লিডার ইসলাম খান বলেন, নদীতে নেমে চারজন নিখোঁজ হয়েছেন। আমরা এসে নদীতে অনেক খুঁজাখুঁজি করেছি। তবে কাউকে পাইনি। কাল সকালে ঢাকা থেকে ডুবুরিদল এলে পুনরায় উদ্ধার অভিযান চালাবো।
বরিশালে অফিস থেকে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির মরদেহ উদ্ধার
হু হু করে বাড়ছে তিন নদীর পানি, তলিয়েছে গ্রামের পর গ্রাম
দেলোয়ারের প্রাণের বিনিময়েও বাঁচানো গেল না রাহাতকে