ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী জানিয়েছে, তারা দেশটির লোহিত সাগর উপকূলে হুথি যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে। এর আগে হুথিরা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় এলাকার ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে বলে দাবি করা হয়। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ইয়েমেনের বিভিন্ন ফ্রন্টে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করে। বিশেষ করে দেশটির পশ্চিম উপকূলে ব্যাপক লড়াই চলছে। সরকারি বাহিনী পরিস্থিতিকে ‘বাঁচা-মরার লড়াই’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
ইয়েমেনের সরকারি সংবাদ সংস্থা সাবা জানিয়েছে, মোচা শহরের কাছে সরকারি বাহিনীর হামলায় হুথিদের বেশ কিছু সদস্য নিহত হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের কয়েকটি যানবাহন ও অস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে হুথিদের ইরান-সমর্থিত ‘সন্ত্রাসী মিলিশিয়া’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সরকারি বাহিনীর মুখপাত্র মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নাজিলি জানান, মোচা থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে মোচা-ধুবাব সড়কেও হুথিদের সদস্য ও যানবাহন লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
হুথিরা বৃহস্পতিবার মোচা শহর এবং শুক্রবার মায়ুন দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর বাব আল-মান্দেব প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী হয়েছে। লোহিত সাগর ও ভারত মহাসাগরের সংযোগকারী এই সরু জলপথটি বৈশ্বিক তেল পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে জাতিসংঘ জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরু থেকে ইয়েমেনে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর প্রায় ৪৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তবে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইয়েমেনে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার প্রধান আবদুসাত্তর এসোয়েভ। আল-জাজিরাকে এসোয়েভ বলেন, মোচা শহরের পতনের ফলে সেখানে কর্মরত জাতিসংঘ ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা সংস্থার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছানো আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে সংঘাতের পাশাপাশি মানবিক সংকটও আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সিরিয়ার কারাগারে দাঙ্গায় নিহত অন্তত ৭
একতরফা বিশ্বব্যবস্থার পুনরুত্থান ঠেকানোর আহ্বান পেজেশকিয়ানের