সময়মতো চীনের ক্ষেপণাস্ত্র ফাটে না কেনো?

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৭ পিএম

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয় চীন ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের ভিডিও। ইতিমধ্যেই তার চুলচেরা বিশ্লেষণ সেরে ফেলেছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের একাংশ। তাঁদের দাবি, ইয়েমেনের রাজধানী সানা থেকে প্রায় ১৭০ কিলোমিটার দূরে মরুভূমির বুকে পড়েছিল ওই ক্ষেপণাস্ত্র-বুস্টার। দেখতে পেয়ে সেটা সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এলাকাবাসী।

তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ভাইরাল ভিডিয়োয় ওই বুস্টারের গায়ে ‘ডিএফ-১৫এ’ লেখা দেখতে পাওয়া গিয়েছে। আর তাই সাবেক সেনাকর্তারা একে চিনের ‘ডংফেং’ সিরিজ়ের ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বলে চিহ্নিত করেছেন। গত সাত মাস ধরে চলা পশ্চিম এশিয়ার লড়াইয়ে এই প্রথম বেজিঙের হাতিয়ার ব্যবহারের প্রমাণ মিলল। অস্ত্রটি অত্যন্ত গোপনে সেখানে পাচার করা হয়েছে বলেও মনে করছেন তারা।

চিনের স্বল্পপাল্লার ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলির একটি হল ডিএফ-১৫। এর পাল্লা কম-বেশি ৯০০ কিলোমিটার। ওই হাতিয়ারেরই রফতানি সংস্করণের ধ্বংসাবশেষ ইয়েমেনে পাওয়া গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ক্ষেপণাস্ত্রের গতিবেগ বাড়াতে ‘বুস্টার’ প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে বেজিং। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের প্রাথমিক অনুমান, হামলার সময় সেটাই খুলে যাওয়ায় মুখ পুড়েছে ড্রাগনের।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে লাগাতার সৌদি আরবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠী। এই পরিস্থিতিতে সেখানে চীন ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ মেলায় স্বাভাবিক ভাবেই উঠেছে একটি প্রশ্ন। বিবদমান দুই পক্ষের মধ্যে কাকে হাতিয়ার সরবরাহ করছে বেজিং? এর উত্তর পাওয়া বেশ কঠিন। কারণ, ডিএফ-১৫র বিক্রি সংক্রান্ত তথ্য সুস্পষ্ট ভাবে কখনওই প্রকাশ্যে আনেনি ড্রাগন।

এম.সি. এইচ
আরও পড়ুন