ইরান, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের অংশগ্রহণে তেহরানে অনুষ্ঠিত চার দেশের বৈঠক আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিয়ে সংলাপ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। অভিন্ন হুমকি ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগ এবং আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে সম্মতিকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় আরাঘচি বলেন, এই সুযোগকে টেকসই সহযোগিতায় রূপ দিতে হলে কিছু মৌলিক বিষয়ে ঐকমত্য, পারস্পরিক আস্থা প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান এবং বাস্তবভিত্তিক অঙ্গীকার প্রয়োজন।
ইরানের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে তিনি বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলোর অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আঞ্চলিক এলাকার বাইরের শক্তিগুলোর সামরিক উপস্থিতি ও হস্তক্ষেপ থাকা উচিত নয়। নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের দেশগুলোরই নিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আরাঘচি আরও বলেন, ইসরায়েলের আগ্রাসন ও ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া রাষ্ট্রগুলোর স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং যুদ্ধের বিস্তার ঠেকানোর জন্য মৌলিকভাবে প্রয়োজনীয়। তাঁর ভাষ্য, আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় ইরানের প্রতিবেশী দেশগুলোই তেহরানের অগ্রাধিকার। সূত্র: মেহর নিউজ এজেন্সি
ইসরায়েলের নির্বাচনে ১৯টি আসন পেতে যাচ্ছে আরব দলগুলো
স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষ, হতাহত অনেক